এই সুবিধা দেশে নতুন নয়, আরও কয়েকটি ব্যাংকের এই সেবা রয়েছে। তবে এখন বড় আকারে এই সেবা দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে ব্যাংকটি। যার মাধ্যমে ডেবিট কার্ড দিয়েই আন্তর্জাতিক লেনদেনসহ আন্তর্জাতিক ই-কমার্স সাইট থেকে কেনাকাটা করা যাবে।

এ নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মো. মাহীয়ুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখন অনেকেরই ডলারে খরচের প্রয়োজন হয়। এ জন্য বাড়তি ক্রেডিট কার্ড সবার না-ও থাকতে পারে। সবাই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারও করতে চান না। এ জন্য আমরা এনেছি ডেবিট কার্ডে অন্য মুদ্রায় লেনদেন-সুবিধা। এর ফলে হিসাবে টাকা থাকলে তা ডলারে খরচ করা যাবে। এ জন্য বাড়তি কোনো কার্ড ও অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। এই কার্ডের মাধ্যমে বিদেশে এটিএম ব্যবহার, পয়েন্ট অব সেলস এবং অনলাইনে কেনাকাটা করা যাবে।’

ব্র্যাক ব্যাংক জানায়, সাধারণ ডেবিট কার্ডের মতো এই কার্ড বাংলাদেশের যেকোনো এটিএম বুথ, কেনাকাটা, খাবার হোটেল, পয়েন্ট অব সেলস এবং ই-কমার্স লেনদেনের জন্যও ব্যবহার করা যাবে।

এই সুবিধা পাওয়ার জন্য ব্র্যাক ব্যাংকে সঞ্চয়ী বা চলতি হিসাব থাকতে হবে। যাঁদের ডেবিট কার্ড রয়েছে, তাঁরা ভ্রমণ কোটা বা মেডিকেল কোটা ব্যবহার করে নিকটস্থ ব্র্যাক ব্যাংক শাখা থেকে তাঁদের পাসপোর্ট এনডোর্স করে নিতে হবেন। বর্তমানে একজন বাংলাদেশি ১২ হাজার ডলার পর্যন্ত ভ্রমণ কোটায় খরচ করতে পারেন। তবে ই-কমার্স লেনদেনে একবারে ৩০০ ডলারের বেশি খরচ করা যায় না।

ব্যাংকটি জানায়, বিদেশ ভ্রমণের সময় হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিংয়ে এই ভিসা ডেবিট কার্ডটি ব্যবহার করতে পারবেন। সেই সঙ্গে বিদেশি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নেওয়া, বিদেশি সফটওয়্যার কেনা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজেও ব্যবহার করতে পারবেন। আর ডেবিট কার্ড হওয়ায় বিলম্ব জরিমানা (লেট ফি) নিয়েও চিন্তা করতে হবে না।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন