এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আয়কর রিটার্ন দিলেন আসিফ আহমেদ। করোনার আগে আয়কর মেলায় গিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ হয়নি তাঁর। তবে কর অঞ্চল-১০–এ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে এসে বেশ ভোগান্তিতে পড়েন তিনি। আসিফ বলেন, ‘একবার ব্যাংকে গিয়ে আবার কর অঞ্চলে আসতে শুধু যানজটেই আটকা ছিলাম দুই ঘণ্টা।’

শেষ দিনে করদাতার প্রচণ্ড ভিড় থাকায় কোনো বিরতি নেননি কর্মকর্তারা। কাজের ফাঁকে পালাক্রমে খেয়ে নিতে দেখা যায় তাঁদের। এতে চিকিৎসক আসিফের মতো যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের বেশ সুবিধা হয়। দুপুরের বিরতির সময়ে চট করে মিনিট দশেকের মধ্যেই রিটার্ন জমা হয়ে যায় তাঁর।

এ বছর আয়কর রিটার্ন জমা দিতে অনলাইন–ব্যবস্থা থাকলেও তার সঠিক কোনো দিকনির্দেশনা পাননি বলে জানান আসিফ আহমেদ। কর দিয়ে সরকারের কাছে কী প্রত্যাশা করেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সরকার জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার যানজট নিরসনে কাজ করুক। যানজট কমলে আয়ের প্রবৃদ্ধি হবে। ’

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন