পাঞ্জাবিওয়ালা দোকানের মালিক রিপন শেখ বলেন, ‘এবার ঈদের বেচাকেনাও ভালো। শেষ দিকের বেচাকেনায় মনে হচ্ছে, দুই বছরের লোকসান কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া যাবে।’

রয়্যালটি মেগা মলে দুই মেয়েকে নিয়ে এসেছিলেন আফরোজা বেগম। তিনি বলেন, ‘ভিড়ই যদি না হয়, তাহলে ঈদের আনন্দই বা কী থাকল। এরই মধ্যে পছন্দ করে দুটি জামা কেনা হয়েছে। আরও দেখছি।’ মালিক তানভীর আশরাফি বলেন, শিশুদের পার্টি ও ফেন্সি ড্রেস আর কটি ও পাঞ্জাবির চাহিদা বেশি। শিশুদের কাপড় প্রকারভেদে সর্বনিম্ন ৭৫০ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া তরুণীদের থ্রি–পিস ও তরুণদের প্যান্টের চাহিদাও আছে বেশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতার উপচে পড়া ভিড়। ক্যাটালগ দেখে অনেকে নিজের পোশাক পছন্দ করছেন। এ ছাড়া কিছু দোকানে বিক্রয়কর্মীদের শাড়ি গায়ে জড়িয়ে ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতেও দেখা গেছে। পোশাকের পাশাপাশি নবাবগঞ্জ মার্কেটে গয়না, কসমেটিকসহ ঘর গোছানোর জন্য সাজসরঞ্জাম কিনছেন কেউ কেউ।

নগরের হনুমানতলায় আছে মানুষের ভিড়। স্থানীয় বিক্রেতারা বলেন, গত ১৩ বছর আগে এখানে গড়ে উঠেছে কম দামি কাপড়ের বাজার। দোকান আছে ৮০টি। এসব দোকানে তৈরি পোশাক ছাড়াও নানা ধরনের গজ কাপড় বিক্রি হচ্ছে। মিতু বস্ত্রালয়ের মালিক হাসেম মৃধা বলেন, কম লাভে জামাকাপড় বিক্রি করা হয় বলে এখানে মানুষের ভিড় লেগেই থাকে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন