নিজের মতোই এগোচ্ছিল

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইক্যাব) তথ্য অনুযায়ী, দেশে ই-কমার্স শুরু হয় ১৯৯৯ সালে। তবে পূর্ণাঙ্গ ও পেশাদার ই-কমার্সের যাত্রা শুরু তারও ১০ বছর পর অর্থাৎ ২০০৯ সালে। এ খাতের বিকাশ শুরু ২০১৪ সালে। এর পরের বছর ২০১৫ সালে সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি পায় ইক্যাব।

২০১৮ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা প্রণয়ন করে। তবে ই-কমার্স খাতের ব্যক্তিরাই বলছেন, এটা একটা ‘নামকাওয়াস্তে’ নীতিমালা। বিদেশিরা যে এ খাতে বিনিয়োগ করতে পারে, সেই দূরদৃষ্টি ছিল না নীতিমালা প্রণয়নকারীদের। এ নিয়ে দাবি উঠলে বিদেশি বিনিয়োগ উন্মুক্ত করে নীতিমালা সংশোধন করা হয় ২০২০ সালের জুনে। তখন করোনার প্রকোপ। এর দুই মাস পর আগস্টে গণমাধ্যমে উঠে আসে দেশের অন্যতম ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির অপকীর্তির নানা খবর।

তখনো ই-কমার্স বা ডিজিটাল কমার্স পরিচালনার কোনো পথনকশা তৈরি করা হয়নি। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানগুলো কী মেনে চলবে, কী মেনে চলবে না, সে ব্যাপারে কোনো নির্দেশিকা তৈরি করা হয়নি। নির্দেশিকা একটি হয়েছে ২০২১ সালের মাঝামাঝি এসে। তত দিনে যে ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গেছে। পাওনা আদায়ে গ্রাহকদের তখন নামতে হয়েছে রাজপথে। করোনা উপেক্ষা করে মিছিল, সমাবেশ, রাস্তা অবরোধ পর্যন্ত করেছেন প্রতারিত গ্রাহকেরা।

ই-কমার্স খাত যেহেতু সেবা দিচ্ছে মানুষকে, তাই এ খাতকে উৎসাহ ও নীতিসহায়তা দেওয়া দরকার। দফায় দফায় ভ্যাট দিতে হচ্ছে এ খাতকে। আবার এ খাতকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে স্বীকৃতিই দেওয়া হচ্ছে না। যেসব ব্যক্তিপ্রতিষ্ঠানের কারণে ই-কমার্স খাত আজ ভাবমূর্তির সংকটে, তাদের শাস্তিও চান তিনি।
শমী কায়সার, ইক্যাবের সভাপতি

বর্তমান চিত্র

বাংলাদেশে ই-কমার্সের ব্যাপক প্রসার হয় কোভিড-১৯ আসার পর থেকে। সরকারি সিদ্ধান্তে দোকানপাট, কলকারখানা, যানবাহন সব বন্ধ রাখা হলে খোলা রাখা হয় অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার দুয়ার। যার প্রভাব পড়ে গোটা ই-কমার্স খাতে।

ইক্যাব ২০২১ সালের ই-কমার্স খাত নিয়ে বলছে, দেশে মোট ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ২ হাজার ৫০০ এবং ইক্যাবের সদস্য ১ হাজার ৬০২। এর মধ্যে নারী উদ্যোক্তা ২৭ শতাংশ। ফেসবুক পেজ আছে পাঁচ লাখ, যার মধ্যে সক্রিয় দুই লাখ। ফেসবুক পেজের মধ্যে নারী উদ্যোক্তা ৪৪ শতাংশ। দুই লাখ সরবরাহ হয় প্রতিদিন।

ইক্যাবের মতে, করোনাকালে এই খাতে তিন লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং প্রতিদিন দুই লাখ পরিবার সেবা পাচ্ছে। এ খাতে জড়িত উদ্যোক্তাদের ৯৫ শতাংশই তরুণ ও ক্ষুদ্র। ইক্যাবের মতে, দেশে ই-কমার্সের বড় প্রতিষ্ঠান ১ শতাংশ, মাঝারি প্রতিষ্ঠান ৪ শতাংশ এবং বাকি ৯৫ শতাংশই ছোট প্রতিষ্ঠান। সবাই যে টিকে থাকে, তা নয়। ঝরে পড়া ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ৩৫ শতাংশ। তবে ২০২০-২১ সালের প্রবৃদ্ধি ৫০ শতাংশ।

দেশের মোট জনসংখ্যার ৪ শতাংশ অনলাইনে কেনাকাটা করে এবং দেশের যোগাযোগব্যবস্থা, ইন্টারনেট, স্মার্টফোনের ব্যবহার ও বিদ্যুৎ–সংযোগসহ সার্বিক দিক বিবেচনায় নিলে ৭০ শতাংশ মানুষই অনলাইনে কেনাকাটা করতে পারেন বলে ইক্যাব অনুমান করছে। তাদের
মতে, শুধু শহরকেন্দ্রিক মানুষেরা অনলাইনে কেনাকাটা করলেও এই হার ২০ শতাংশ হওয়া সম্ভব। সংগঠনটির আরেক পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, দেশে বর্তমানে একটিও লাভজনক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান নেই।

ইক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার প্রথম আলোকে বলেন, ই-কমার্স খাত যেহেতু সেবা দিচ্ছে মানুষকে, তাই এ খাতকে উৎসাহ ও নীতিসহায়তা দেওয়া দরকার। দফায় দফায় ভ্যাট দিতে হচ্ছে এ খাতকে। আবার এ খাতকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে স্বীকৃতিই দেওয়া হচ্ছে না। যেসব ব্যক্তিপ্রতিষ্ঠানের কারণে ই-কমার্স খাত আজ ভাবমূর্তির সংকটে, তাদের শাস্তিও চান তিনি।

সরকারের উদ্যোগহীনতা

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তৎকালীন মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান সভাপতিত্বে ‘বেসরকারি খাত উন্নয়নে নীতি সমন্বয় কমিটি’ ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর এক বৈঠকে ই-কমার্স নিয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হচ্ছে ই-কমার্সের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও এটুআই যৌথভাবে ‘এসক্রো সেবা’ চালু করবে। এ ব্যবস্থায় গ্রাহক পণ্য হাতে পাওয়ার পর টাকা পাবে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। তার আগে জমা থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের কাছে।

জাতীয় উদ্ভাবন এবং মেধাস্বত্ব নীতিমালায় ই-কমার্সকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং ই-কমার্স ব্যবসার সুরক্ষার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে প্রয়োজনীয় বিধান অন্তর্ভুক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি বিভাগকে। তারাও করেনি কাজটি। ইক্যাব ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের অনুরোধ জানালেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাতে গা করেনি।

সরকারের এই উদ্যোগহীনতা প্রতারণামূলক কাজের পক্ষেই গেছে। উল্টো সরকারের মন্ত্রীরা প্রতারক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে তাদের গুনগান গেয়েছেন। আর এই ফাঁকে জমে ওঠে ই-কমার্সের আড়ালে প্রতারণামূলক ব্যবসায়ের প্রসার। জন্ম নেয় নানা কেলেঙ্কারি। ফলে যেসব প্রতিষ্ঠান প্রকৃতপক্ষেই ই-কমার্সই করে আসছিল, মন্দগুলোর কারণে চাপে পড়ে যায় তারাও।

ইভ্যালির দেখানো পথেই অন্যরা

২০১৮ সালের ডিসেম্বরে মাত্র ৫০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধন দিয়ে ব্যবসা শুরু করে ইভ্যালি। বিপুল ছাড়ে পণ্য বিক্রির লোভ দেখিয়ে তারা
অল্প সময়েই ফুলেফেঁপে ওঠে। একই পথে হেঁটেছে অন্যরাও।

সন্দেহজনক ব্যবসা কৌশল নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর ২০২০ সালের আগস্টে ইভ্যালি নিয়ে তদন্তে নামে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তারা সাতটি সংস্থাকে চিঠি দিয়ে ইভ্যালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়। চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এক মাসের জন্য ইভ্যালির হিসাব স্থগিত করে। স্থগিতাদেশ আর বাড়ায়নি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তদন্ত করে প্রতারণার আলামত পেলেও কোনো মামলা হয়নি।

এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংক ইভ্যালি নিয়ে পরিদর্শনের কাজ শুরুই করে অনেক পরে। ২০২১ সালের জুনের মাঝামাঝি বাংলাদেশ ব্যাংকের তৈরি প্রতিবেদনে ওঠে আসে প্রতিষ্ঠানটির আয়-ব্যয়ের ব্যাপক অসংগতি। ৩০ জুন চালু হয় আগে পণ্য হাতে পেয়ে টাকা ছাড়ের ব্যবস্থা, অর্থাৎ এসক্রো পদ্ধতি। তত দিনে ইভ্যালির প্রতারণায় সর্বস্বান্ত হয়ে গেছেন এর গ্রাহকেরা।

ইভ্যালির পাশাপাশি ধামাকা, কিউকম, ই-অরেঞ্জ, দালাল প্লাস, আদিয়ান মার্ট, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, প্রিয় শপ, নিরাপদ ডটকম, এসপিসি ওয়ার্ল্ডসহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও অর্থ আত্মসাতের দায়ে মামলা হয়। ৪ এপ্রিল কিউকমের সিইও রিপন মিয়া এবং ৬ এপ্রিল ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। অনেকে এখনো জেলে আছেন। অথচ এসক্রো পদ্ধতি সময়মতো চালু হলে এমন পরিস্থিতি তৈরিই হতো না।

সরকারকে যা করতে হবে

বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর থেকে নিবন্ধন নিতে পারে। ছোট প্রতিষ্ঠান নেয় ট্রেড লাইসেন্স। বিভিন্ন শ্রেণিতে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হলেও ই-কমার্স খাতের উদ্যোক্তারা ট্রেড লাইসেন্সের স্বীকৃতি পায়নি এখনো। ট্রেড লাইসেন্স অ্যাক্ট ২০১৬–এর সংশোধন করে ট্রেড লাইসেন্স শ্রেণিতে বৃত্তি বা পেশা হিসেবে ই-কমার্সকে সংযোজন করা দরকার বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

আবার খাতটি এখনো লাভজনক হয়নি, অথচ সরকার এ খাতের সেবা মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ হারে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) নিচ্ছে। প্রচলিত দোকানের ক্ষেত্রে অনলাইন শপ বা ই-কমার্সের ওপর ভ্যাট-কর আরোপেও ভিন্নতা রয়েছে। শ্রম আইনও সংশোধন দরকার।

ইক্যাব এক বছর আগেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বলেছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, প্রতিযোগিতা কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বয়ে ঝুঁকিবিষয়ক ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা দরকার। সেটি এখনো হয়নি। কেন্দ্রীয় ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিও তৈরি করা হয়নি এখনো।

ই-কমার্সের জন্য কুরিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। লাইসেন্স নিয়ে কুরিয়ার সেবা দিতে হয়। লাইসেন্স ছাড়াও কাজ করছেন অনেকে, যারা নজরদারির বাইরে থাকছে। ব্যবস্থাটা তাই স্বয়ংক্রিয় করতে হবে। সবার আগে শক্তিশালী করতে হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল কমার্স সেলকে।

‘আমরা চাই ই–কমার্স খাতের ব্যাপক উন্নয়ন। অভিযুক্তরা যদি আইনি মোকাবিলা করে এসে ভালোভাবে প্রতিষ্ঠান চালাতে পারেন, তাঁকে আমরা স্বাগত জানাই।’
এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

আংশিক টাকা ফেরতের উদ্যোগ

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ শুরু করে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকমে আটকে থাকা টাকা দিয়ে। ২০২১ সালের ৩০ জুন এসক্রো পদ্ধতি চালুর পর থেকে কিউকমের গ্রাহকদের আটকে থাকা ৫৯ কোটি টাকা ফেরতের তালিকা করা হয় গত জানুয়ারিতে। কিউকমের পর আলেশা মার্ট, দালাল প্লাস, বাংলাদেশ ডিল, আনন্দের বাজার, শ্রেষ্ঠ ডট কম, আলিফ ওয়ার্ল্ড, ধামাকাসহ ১১টি প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের আংশিক টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৪টি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ১১০টি মামলা রয়েছে। আর প্রতিষ্ঠানগুলোয় ক্রয়াদেশ দেওয়ার পর বিভিন্ন পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে রয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। টাকা ফেরত দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে রিং আইডি নামের একটি কোম্পানি।

রিং আইডির পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ব্যবসা করছিলাম। ব্যাংক হিসাব জব্দ। ফলে ব্যবসা বন্ধ। যাঁরা ব্যবসা করতে চান, তাঁরা করবেন, যাঁরা করবেন না তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এ জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমরা আবেদন করেছি।’

ক্রেতাদেরও দায়িত্ব আছে

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনলাইন কেনাকাটায় ক্রেতাদের পণ্য দেখেশুনে কেনার সুযোগ নেই। পণ্যের বিস্তারিত বর্ণনা ও বৈশিষ্ট্য ওয়েবসাইটে উল্লেখ থাকলে ক্রেতারা একটা ধারণা পেতে পারেন। সেই নিশ্চয়তা থাকতে হবে। ক্রেতাদেরও সতর্ক হতে হবে। বিক্রেতাদের সরবরাহ পদ্ধতি, ফেরত নীতি, পরিশোধ পদ্ধতি যথাযথভাবে জেনেই ক্রয়াদেশ দিতে হবে।

আবার বিশাল অঙ্কের ছাড় বা অবিশ্বাস্য মূল্য হ্রাসে পণ্য বিক্রির প্রবণতা আছে কিছু বিক্রেতার। এ নিয়েও নীতিমালা থাকতে হবে। অন্যদিকে বিক্রেতাদের পক্ষ থেকে উন্নত সরবরাহব্যবস্থা নিশ্চিত করাও জরুরি। আর পণ্য গতিবিধি (ট্র্যাকিং) জানার ব্যবস্থা রাখলে ক্রেতাদের উৎকণ্ঠাও কমবে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ই–কমার্স খাতের বিভিন্ন দিক তত্ত্বাবধান করেছেন) প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা চাই ই–কমার্স খাতের ব্যাপক উন্নয়ন। অভিযুক্তরা যদি আইনি মোকাবিলা করে এসে ভালোভাবে প্রতিষ্ঠান চালাতে পারেন, তাঁকে আমরা স্বাগত জানাই।’

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন