সাগরে দেশে নির্মিত অত্যাধুনিক ফিশিং ট্রলার

ফিশিং ট্রলার
ফিশিং ট্রলার

এবার চট্টগ্রামের এফএমসি ডকইয়ার্ড অত্যাধুনিক ফিশিং ট্রলার নির্মাণ করেছে।
নতুন নির্মিত ‘এফবি সিএমএল লাবিবা’ নামের এই ফিশিং ট্রলার এখন গভীর সাগরে বাণিজ্যিকভাবে মৎস্য আহরণের জন্য প্রস্তুত। এফএমসি জানায়, ঢাকার আপন ইমপোর্ট সেন্টার লিমিটেডের জন্য এই ট্রলার নির্মাণ করেছে এফএমসি। গত সপ্তাহে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রলারটি সাগরে ভাসানো হয়েছে। এরপরই ট্রলারটি মৎস্য আহরণের জন্য প্রস্তুত বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। দুই সপ্তাহের মধ্যে এটি সাগরে মাছ শিকারের জন্য রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
পরীক্ষা করে দেখা গেছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায়ও এটি সফলভাবে চলাচল করতে সক্ষম। ট্রলার এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে কম খরচে মাছ শিকারস্থলে আসা-যাওয়া করতে পারে।
এফএমসি ডকইয়ার্ডের চেয়ারম্যান মির্জা আইয়ুব বেগ গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এই ফিশিং ট্রলারটিতে। এর মাধ্যমে ট্রলারের অবস্থান থেকে অন্তত তিন কিলোমিটার এলাকায় মাছের বিচরণস্থল শনাক্ত করা সম্ভব হবে। ট্রলারটি পরিচালনা সহজ এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচও কম পড়বে।
প্রসঙ্গত, দেশে প্রথম ফিশিং ট্রলার নির্মাণ করে ঢাকা ডকইয়ার্ড। এরপর ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড অত্যাধুনিক ফিশিং ট্রলার নির্মাণে সাফল্য দেখায়। এ খাতে এবার যুক্ত হলো এফএমসি ডকইয়ার্ড।
বর্তমানে এফএমসি এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড অত্যাধুনিক ফিশিং ট্রলার নির্মাণে সাফল্য দেখাচ্ছে।
এফএমসি ডকইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইয়াছিন চৌধুরী জানান, আরও চারটি ফিশিং ট্রলার নির্মাণাধীন রয়েছে তাঁদের শিপইয়াডে। এ ছাড়া কার্যাদেশের প্রক্রিয়া চলছে তিনটির।
জাহাজ নির্মাণশিল্পের উদ্যোক্তারা জানান, বর্তমানে গভীর সাগরে মৎস্য আহরণে নিয়োজিত ট্রলারের বেশির ভাগই থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করা। দেশীয় উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসার পর এখন আমদানিনির্ভরতা কমছে।