বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার কাস্টমস কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, চালানের ২৩৮টি প্যাকেটের প্রতিটিতে ছিল নতুন ও পুরোনো ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী বা ব্যাগেজ পণ্য। প্রতিটি প্যাকেটের গায়ে প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা আছে। এসব পণ্যের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ২০ লাখ টাকা। তাতে ১৭ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা হয়েছে। অপর চালানে ঘোষণা অনুযায়ী পোশাকশিল্পের যন্ত্রপাতি পাওয়া গেছে।

কাস্টমস উপকমিশনার মো. শরফুদ্দীন মিঞা আজ প্রথম আলোকে বলেন, মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, দুজন রাজস্ব কর্মকর্তার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান প্রত্যয় ইন্টারন্যাশনাল বন্দর থেকে নয়টি চালান খালাস করে নেয়। এরপর এ মাসের শুরুতে ইপিজেড কাস্টমস কর্মকর্তারা বিষয়টি শনাক্ত করে খালাসের অপেক্ষায় থাকা দুটি চালান আটকে দেন। মূলত ইপিজেডের আমদানির অনুমতিপত্র নকল করে পণ্য খালাস করা হয় নয়টি চালানের। কাস্টমসের একটি তদন্ত কমিটি ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।

আটক চালানটি আমদানি হয় পাবনা রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এমজিএল কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের নামে। শুল্কমুক্ত সুবিধায় কম্বলের কাপড় আমদানির ঘোষণা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। সে জন্য ২১ হাজার ডলারের ঋণপত্র খোলা হয়।

আটক চালানটিতে কম্বলের কাপড় আমদানির ঘোষণা ছিল। তবে কনটেইনার খুলে ২৩৮টি প্যাকেটে পাওয়া গেছে ঘরে ব্যবহারের ৭৫ ধরনের সামগ্রী। এর মধ্যে আছে নতুন ও পুরোনো ১ হাজার ৫৫১টি কম্বল, ৪৮৩টি জায়নামাজ, ১২০ কেজি প্রসাধনী, ২০০ কেজি ইলেকট্রনিক সামগ্রীসহ ৭ হাজার ৫৭০ কেজি পণ্য।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন