বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
করোনা সংকটে শ্রমিকেরাই সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন। শ্রমিকদের কাছে প্রণোদনার পর্যাপ্ত অর্থ পৌঁছায়নি। বরাদ্দও পর্যাপ্ত ছিল না। শ্রমিকদের স্বার্থ নিয়ে বলার মতো ট্রেড ইউনিয়ন নেই। খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, গবেষণা পরিচালক, সিপিডি।

মানবাধিকারকর্মী হামিদা হোসেন বলেন, যখন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, তখন শ্রমিকদের জন্য পরিবহনব্যবস্থা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে মালিকপক্ষ তা করেনি। ফলে শ্রমিকেরা সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই হেঁটে হেঁটে কারখানায় যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিলসের উপদেষ্টা নাইমুল আহসান বলেন, কোভিডে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন শ্রমিকেরা। সব পক্ষের সামাজিক সংলাপের মাধ্যমে তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। সরকারের নানা কর্মসূচি থেকে তাঁরা কী পেয়েছেন, তা জানি না। তিনি আরও বলেন, প্রায় দুই কোটি মানুষ শহর থেকে গ্রামে গিয়েছেন। তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নেই।

বিলসের আরেক উপদেষ্টা আমিরুল হক আমিন বলেন, গতবার করোনার সময় দুই লাখ পোশাকশ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দেড় লাখ কাজ ফিরে পেয়েছেন। এখনো ৫০ হাজার পোশাকশ্রমিক বেকার। এমন অবস্থায় করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা এসেছে। তাই আগামী ঈদের ১০ দিন আগে বেতন–বোনাস দিতে হবে, করোনার দোহাই দিয়ে বেতন–ভাতা কাটছাঁট করা যাবে না।

সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, করোনা সংকটে শ্রমিকেরাই সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন। শ্রমিকদের কাছে প্রণোদনার পর্যাপ্ত অর্থ পৌঁছায়নি। বরাদ্দও পর্যাপ্ত ছিল না। শ্রমিকদের স্বার্থ নিয়ে বলার মতো ট্রেড ইউনিয়নও নেই। মোট শ্রমশক্তির মাত্র ৪ দশমিক ২ শতাংশ ইউনিয়নভুক্ত। তিনি এমন সংকট মোকাবিলায় সামাজিক সংলাপের তাগিদ দেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাংসদ শিরিন আখতার, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আবদুস সালাম, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পটিআইনেন প্রমুখ।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন