অনুষ্ঠানে সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান তাঁর পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ফজলুর রহমান বলেন, ‘আগামী বছরের মাঝামাঝি সময় দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ শেষ হয়ে যাবে। আমার জীবনে কখনো পিছে তাকাইনি। ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া এটা সম্ভব হতো না। বিশ্বব্যাংকের সহায়তাও পাচ্ছি। আমি সাধ্যমতো কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে আইডিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক অঞ্চল ৮৯টি। ফিলিপাইনের অর্থনৈতিক অঞ্চল আছে ৪০৭টি। আমাদের আরও অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে হবে, যা দেশের রপ্তানি আয়ে বড় ভূমিকা রাখবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক খুরশিদ ওয়াহাব বলেন, ‘আমরা সিটি অর্থনৈতিক অঞ্চল দেখে সন্তুষ্ট। আশা করি, এসব প্রকল্প থেকে রপ্তানি বাড়বে, যা দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। এখন পর্যন্ত ৭টি প্রকল্পে ৯৫৫ কোটি টাকা অর্থায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল।’

ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে বেসরকারি খাতের হাত ধরে। এই অর্থনৈতিক অঞ্চল দেশের উন্নয়নে আরও ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশে অর্থনৈতিক কাঠামোতে ভঙ্গুরতা রয়েছে। ব্যাংকগুলো স্বল্প মেয়াদি আমানত নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দিচ্ছে। ভবিষ্যতে পুঁজির জন্য শেয়ারবাজারে হবে প্রধাণ মাধ্যম, এই আশা আমাদের।’

এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, ‘২০০২ সাল থেকে আমরা সিটি গ্রুপকে অর্থায়ন করে যাচ্ছি। একদিনের জন্য এই গ্রুপের ঋণ পরিশোধে বিলম্ব হয়নি। দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রাখছে এই গ্রুপ। এ জন্য আমরা এই গ্রুপের কাছে কৃতজ্ঞ।’

আইডিএলসির নেতৃত্বে এই সিন্ডিকেট ঋণে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো হলো পূবালী, ব্যাংক এশিয়া, ট্রাস্ট, এক্সিম, ইউসিবি, এনসিসি, এনআরবি ও মিডল্যান্ড। এ ছাড়া আছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এ কে এম আবদুল্লাহ, মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান-উজ জামান, সিটি গ্রুপের পরিচালক মো.হাসান, তানভীর হায়দার প্রমুখ।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন