বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৩ হাজার ৬৬১ কোটি ডলার আয় করেছেন রপ্তানিকারকেরা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩২ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। এই হিসাবে অর্থবছরের ৯ মাসে পণ্য বাণিজ্যে সার্বিক ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৯০ কোটি ডলার।

এদিকে জুলাই-মার্চ সময়ে ১ হাজার ৫৩০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ কম। ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ে ১৮ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে।

করোনার পর দেশে সব ধরনের পণ্যের চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। সর্বশেষ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পণ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় আরও চড়ছে দাম।

গত বছরের এপ্রিলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম ছিল ৬০ ডলার। রোববার সেই তেল ১১২ ডলারের বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শুরুতে এর দর ১৩৯ ডলারে উঠে গিয়েছিল। এতে আমদানি ব্যয় বেড়েছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন