রাজস্ব খাত, বিশেষ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন শুল্ক, ভ্যাট ও আয়কর খাতের আমূল পরিবর্তন করতে হবে। এ সংস্কারের জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের সদিচ্ছা থাকতে হবে। নীতিনির্ধারকদের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বর্তমান বাস্তবতায় তাহলেই মাঠপর্যায়ে এর সুফল মিলবে।

এনবিআরে আমূল সংস্কার হয়নি বলেই আজ রাজস্ব-জিডিপি অনুপাতে এত খারাপ অবস্থা। নানামুখী সংস্কার করতে হবে। রাজস্ব প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যানকে শুধু ভালো প্রশাসক ও সৎ হলেই হবে না, তাকে দক্ষও হতে হবে। কর প্রদানব্যবস্থা সহজ করতে অটোমেশন ব্যবস্থা চালু করা জরুরি। শুল্ক ও আয়কর—এ দুই আইন যত দ্রুত সম্ভব প্রণয়ন করতে হবে। এ ছাড়া কর অব্যাহতির যে সংস্কৃতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসা দরকার। কারণ, প্রভাবশালীদের তদবিরেই এই ধরনের কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হয়।

রাজস্ব খাত সংস্কারে এনবিআরের কোনো মহাকর্মপরিকল্পনা নেই। যা কিছু ছোটখাটো সংস্কার হচ্ছে, তা অ্যাডহক ও বিচ্ছিন্নভাবে হচ্ছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন