ভারত মনে করছে, চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য রাখার জন্য বিশেষ জায়গা পাওয়া গেলে ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। এদিকে ভারত সম্প্রতি ইন্ডিয়া বাংলাদেশ প্রটোকল রুটের আওতায় চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে পরীক্ষামূলক ট্রান্সশিপমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

গতকাল শুক্রবার ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের বার্ষিক অধিবেশনে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিং এসব কথা বলেন। এরপর বার্তা সংস্থা পিটিআইকে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর অত্যন্ত জনসমাকীর্ণ। তাই সেখানে ভারতীয় পণ্যের জন্য আলাদা জায়গা থাকলে পণ্য আনা-নেওয়া সুবিধাজনক হবে। এদিকে চলতি বছর বাংলাদেশকে বিনা মাশুলে স্থলবন্দর, বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় কোনো দেশে পণ্য পরিবহনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। পিটিআইয়ের সূত্রে এই সংবাদ প্রকাশ করেছে ইকোনমিক টাইমস।

ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিং পিটিআইকে আরও বলেন, দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলকে কেন্দ্র করে উন্নয়নের পরিকল্পনা করেছেন। সে জন্য সড়ক, রেল ও নৌপথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। তিনি মনে করেন, ভারত পৃথিবীর কারখানা ও কার্যালয় হয়ে উঠতে পারে আর সে জন্য যোগাযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র ও সচিব ওমর ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, তিনি এখনো এ বিষয়ে কিছু জানেন না। রোববার খোঁজ নিলে প্রকৃত তথ্য জানা যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।