এখন শ্রেণি-১–এর মধ্যে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্বরা দৈনিক ভাতা পাবেন ১ হাজার ৪০০ টাকা, গ্রেড-২ ও ৩–এর কর্মচারীরা ১ হাজার ২২৫ টাকা এবং গ্রেড ৪ ও ৫–এর কর্মচারীরা ১ হাজার ৫০ টাকা করে পাবেন। শ্রেণি-২–এর কর্মচারীরা ৮২৫ থেকে ৯০০ টাকা, শ্রেণি-৩–এর কর্মচারীরা ৪৯০ থেকে ৭০০ টাকা এবং শ্রেণি–৪–এর কর্মচারীরা ৪০০ থেকে ৪৯০ টাকা করে পাবেন। তবে দৈনিক ভাতার ক্ষেত্রে দেশের ব্যয়বহুল এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ১২টি জায়গায় ৩০ শতাংশ বাড়তি ভাতা মিলবে।

ভ্রমণ ভাতা

ভ্রমণের দূরত্ব এবং ধরন অনুযায়ী বিমান, লঞ্চ, সড়ক ও রেলপথের জন্য নতুন হার নির্ধারণ করা হয়েছে। বিমানের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, শ্রেণি–১–এর কর্মচারীরা প্রতি কিলোমিটারে ৩০ টাকা ভাতা পাবেন। বিমান ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে মিলবে প্রতি কিলোমিটারে ১৮ টাকা হারে। শ্রেণি ৪ ও ৩–এর কর্মচারীরা ২০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৬ টাকা, ২০০ কিলোমিটারের বেশির ক্ষেত্রে ৮ টাকা এবং একইভাবে শ্রেণি–২–এর ক্ষেত্রে ১২ টাকা ও ১৫ টাকা করে দেওয়া হবে।

এদিকে বদলিজনিত ভ্রমণের ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যসহ চারজনের ভ্রমণ ভাতা পাওয়া যাবে। শ্রেণি অনুযায়ী এ ভাতা পাওয়া যাবে ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সারা দেশের জন্য একই হার হবে অর্থাৎ পার্বত্য এলাকার জন্য আলাদা কোনো হার প্রযোজ্য হবে না।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন