ব্রেক্সিট সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক ক্রেতারা লন্ডনে বাড়ি কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
এর মধ্যে বেলগ্রেভ স্কয়ারে ১২ শয়নকক্ষের একটি ম্যানশনও আছে, যার বিক্রয়মূল্য ৯ কোটি পাউন্ডের বেশি। এই বাড়ির বিক্রি এখনো নিবন্ধিত হয়নি। তবে এজেন্টরা নিশ্চিত করেছেন, এই বাড়ি কেনাবেচার লেনদেন হয়ে গেছে।

বেলগ্রেভ স্কয়ারের অবস্থান খুবই সুবিধাজনক স্থানে। সেখান থেকে বাকিংহাম প্রাসাদ ও হ্যারডসের দূরত্ব প্রায় সমান। বিদেশিদের কাছে এই স্থান খুবই জনপ্রিয়, বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের অবস্থানও ওখানে।

আরেকটি বিলাসবহুল বাড়ি চেলসির বোল্টন অঞ্চলে অবস্থিত। সেই বাড়ি ৪২ মিলিয়ন বা ৪ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে এবং হাইডা পার্ক অঞ্চলে একটি মে ফেয়ার হোম বিক্রি হয়েছে ৪ কোটি ডলারে।

সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি লোপ রেনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্থনি পেইন দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, বিপুল অঙ্কের অর্থ বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু কেনার মতো সম্পদ খুব কম। সে জন্য সম্পদের দামও বেড়ে যাচ্ছে।

এ বছরের প্রথম ছয় মাসে পান্ডের দরপতন হয়েছে ১১ শতাংশ, এক পাউন্ডে এখন ১ দশমিক ২০ ডলার মিলছে। সে জন্য অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী এখন লন্ডন শহরে বাড়ি কেনায় আগ্রহী হচ্ছেন।

অ্যান্থনি পেইন আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে ধনীদের হাতে বিপুল অর্থ আছে, যদিও অনেক মানুষ আর্থিক কষ্টে আছে। অনেক ধনী মানুষের হাতেই খরচ করার মতো অনেক অর্থ আছে। তারা এই অর্থ সম্পদে বিনিয়োগ করতে চায়। এ নিয়ে পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায়ও লিপ্ত হয়েছে তারা, অন্তত যত দিন সুদহার কম থাকে।

এই ৬১টি বাড়ির বিক্রীত অর্থের পরিমাণ ২০১১ সালের পর সর্বোচ্চ। তবে গত বছরও ৬০টি বাড়ি বিক্রি হয়েছিল। অর্থের পরিমাণ গত বছরের কাছাকাছি, কিন্তু ২০১৭-১৯ সময়ের গড় পরিমাণের তুলনায় তা ৪৯ শতাংশ বেশি।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন