মালিবাগ বাজারে মেসার্স রশিদ স্টোরের বিক্রেতা আবুল বাসার প্রথম আলোকে বলেন, ‘চিনির বাজারের অস্থিরতা এখনো শেষ হয়নি। এর মধ্যে আটা ময়দার প্যাকেটের দাম ঠিক থাকলেও পাইকারিতে আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।’

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, বাজারে খোলা আটা প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ ও প্যাকেটজাত আটা ৬০ থেকে ৬৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি খোলা ময়দা বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৮ টাকায়। প্যাকেটজাত ময়দার দাম আরেকটু বেশি—কেজি প্রতি ৭২ থেকে ৭৫ টাকা। গত এক মাসে নতুন করে প্যাকেটজাত ও খোলা ময়দার দাম যথাক্রমে বেড়েছে ৫ ও ৬ শতাংশ।

এদিকে বাজারে চিনির সংকট এখনো রয়েছে। নিয়ন্ত্রিত সরবরাহের কারণে চিনির দাম কমছে না। দাম পড়ছে কেজিতে ১১০ থেকে ১২০ টাকা। তবে বাজারে অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল। চালের বাজারে বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি। 

বাজারে ইলিশের সরবরাহ শুরু হওয়ায় অন্য মাছের দাম কিছুটা কমেছে। ছোট ও মাঝারি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২২০ টাকা থেকে ২৮০ টাকার মধ্যে। মাঝারি তেলাপিয়া ও পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৫০ টাকার আশপাশে। 

মহাখালী বাজারের মাছ ব্যবসায়ী মো. ইব্রাহিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মাঝে ইলিশ না থাকায় অন্যান্য মাছের দাম বেড়েছিল। এখন তা আবার কমতির দিকে। মাছের সরবরাহ ভালো।’ 

এদিকে বাজারে সবজির দাম এখনো বেশ চড়া। প্রতি কেজি বেগুন ও শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিম, টমেটো ও গাজরের কেজি ১০০ টাকার ওপরে। করলা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। অন্যান্য বেশির ভাগ সবজির কেজিও ৬০ টাকার আশপাশে।