বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের মৌলিক অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদকে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক পুরস্কার-২০২০’ দেওয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। সম্মাননা গ্রহণের পর দেওয়া বক্তব্যে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এসব কথা বলেন। সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আর সভাপতিত্ব করেন গভর্নর ফজলে কবির। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক নাজমা বেগম। পুরস্কার হিসেবে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের হাতে স্বর্ণপদক, ক্রেস্ট ও পাঁচ লাখ টাকা তুলে দেন অর্থমন্ত্রী ও গভর্নর।

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন,‌ ‘আমি এই পুরস্কার নিতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছি। কারণ, এই পুরস্কার প্রবর্তনের সঙ্গে আমি ও সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন যুক্ত ছিলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার বাইরে আমি বাংলাদেশ ব্যাংককে আমার দ্বিতীয় কর্মস্থল বলে মনে করি।’

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের মতে, ‘বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন বিশ্ব অর্থনীতিও বদলে যাচ্ছে। তাই উন্নয়নের এ ধারায় অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। এসব মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, মানসম্পন্ন শিক্ষা বা উপযুক্ত শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে, যাতে আমরা ডেমোগ্রাফিক সুবিধা নিতে পারি। পাশাপাশি প্রশাসনের দক্ষতা ও জবাবদিহি বাড়াতে হবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, দেশের অর্থনীতির সব সূচকের আশানুরূপ উন্নতি হয়েছে। এই বছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হওয়ার আশা করেছিলাম, সেটা হয়নি। তবে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে রিজার্ভ বেড়ে ৫০ বিলিয়ন ডলার হবে। আমরা এখন রিজার্ভ থেকে ঋণ দেওয়া শুরু করেছি। মেগা প্রকল্পেও রিজার্ভ থেকে ঋণ পাচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে গভর্নর ফজলে কবির বলেন, ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে অবদান রেখেছেন, এ সম্মাননা তাঁরই স্বীকৃতি।

এর আগে সর্বশেষ ‘বাংলাদেশ ব্যাংক পুরস্কার-২০১৭’ যৌথভাবে দেওয়া হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, রিভারসাইডের ইমেরিটাস অধ্যাপক আজিজুর রহমান খান ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও ব্র্যাকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মাহবুব হোসেনকে (মরণোত্তর)।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন