বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনার কারণে গত বছরের এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত ছয়টি উৎসবে ব্যবসা হারিয়েছি আমরা। মাঝে শুধু চলতি বছরের পবিত্র ঈদুল ফিতরে কিছুটা ব্যবসা করতে পেরেছি। যদিও রোজার প্রথম ১১ দিন লকডাউনের আমাদের দোকানপাট বন্ধ রাখতে হয়েছিল। তারপরও গত ঈদে বেচাবিক্রি মোটামুটি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য কিছুটা রসদ পেয়েছিলেন।

করোনাকালে সাধারণ কেনাকাটা কমে গেছে। বিয়েশাদি ও সামাজিক অনুষ্ঠানও বন্ধ থাকায় বড় উৎসবকেন্দ্রিক বেচাবিক্রিই বর্তমানে বড় ভরসা। লকডাউনের কারণে আসছে কোরবানি ঈদের ব্যবসা মাটি হয়ে গেল। তবে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা যদি আরেকটু চিন্তাভাবনা ও পরিকল্পনা করে করোনা সংক্রমণ রোধে লকডাউন ব্যবস্থাপনা করতেন, তবে হয়তো আমরা আরেকটু ভালো অবস্থানে থাকতাম। কারণ, রোজার ঈদের পর থেকেই ঢাকার বাইরে করোনার সংক্রমণ বাড়ছিল। সেটি বিবেচনায় নিয়ে যদি আরও দুই সপ্তাহ আগে লকডাউন করা হতো, তাহলে হয়তো করোনা পরিস্থিতি আরেকটু নিয়ন্ত্রণে থাকত। তাহলে আমরা ব্যবসায়ীরাও ঈদের ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পেতাম।

ঢাকা নিউমার্কেটে সাড়ে পাঁচ শতাধিক দোকান রয়েছে। এসব দোকানে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক মজুরি ভিত্তিতে কাজ করেন কয়েক হাজার কর্মী। লকডাউনের আগে মাসিক মজুরি ভিত্তিতে কাজ করা কর্মীরা বেতন পেলেও অন্যরা আছেন বিপদে। অন্যদিকে, দোকানমালিকদের মধ্যে ১০০ থেকে ১৫০ জন গত মাসের ভাড়া দিতে পারলেও অন্যরা পারেননি। করোনাকালে ব্যবসা মন্দা থাকায় অনেক ব্যবসায়ীই পুঁজি ভেঙে কর্মীদের বেতন-ভাতা ও দোকানভাড়া দিতে বাধ্য হয়েছেন।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন