আছিয়া খালেদা, এমডি, উইমেন ইন ডিজিটাল লিমিটেড
সংগৃহীত

তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) দেশের একটি সম্ভাবনাময় ও ক্রমবর্ধমান খাত। সরকার যত সুবিধা দেবে, এই খাত তত ভালো প্রবৃদ্ধি করতে পারবে। কিন্তু সরকার যদি শুরুর দিকেই প্রতিটা জায়গায় কর–ভ্যাটের কড়াকড়ি নিয়ে আসে, তাহলে এই খাতের উদ্যোক্তারা ঠিকভাবে বিকশিত হতে পারবেন না।

এত দিন স্থানীয় সফটওয়্যার নির্মাতাদের ওপর ভ্যাট ছিল না। আগামী ২০২৩–২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সফটওয়্যারের উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। এটিরও বিরূপ প্রভাব পড়বে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। বিশেষ করে এই খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য পথচলা কঠিন হয়ে যাবে।

আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছি। এটি সরকারেরই উদ্যোগ। স্মার্ট বাংলাদেশের ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোও নিজেদের তৈরির চিন্তা করছে। এ অবস্থায় নতুন করে বাড়তি কর–ভ্যাট আরোপ করা হলে আমরা একটু চাপে পড়ে যাব, কারণ আমরা এখনো প্রতিষ্ঠিত নই।

সফটওয়্যার তৈরির জন্য এখনো আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অনেক পণ্য ও প্রযুক্তি সহায়তা আমাদের নিতে হয়। বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তার বেশির ভাগ ব্যবস্থা আমদানি করতে হয়। আমদানি করা কিছু সফটওয়্যারে ৫ শতাংশ শুল্ক ছিল। অন্য ক্ষেত্রে এ হার ২৫ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে শুল্ক ফাঁকি রোধে সব ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাটও রয়েছে। নতুন করে শুল্ক আরোপের কারণে সাইবার নিরাপত্তায় খরচ বাড়বে।

  • আছিয়া খালেদা, এমডি, উইমেন ইন ডিজিটাল লিমিটেড