তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে হিমায়িত চিংড়ি ও মাছের রপ্তানি ২ শতাংশ কমেছে। তারপরও হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানিতে পৌনে ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতির কারণে ইইউর দেশগুলোতে চিংড়ির চাহিদা কম। সে কারণে ক্রয়াদেশও কম। আগামী দু-তিন মাসে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার আশা কম।

দুনিয়াজুড়ে যত চিংড়ি বিক্রি হয়, তার ৭৭ শতাংশ উচ্চফলনশীল জাতের ভেনামি চিংড়ি। অথচ সেই চিংড়ি আমরা উৎপাদনই করি না। ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ভেনামি চিংড়ি চাষ শুরু করেছি। আমাদের দাবি, দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করে ভেনামি চিংড়ির বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়া। কারণ, ভেনামি ছাড়া রপ্তানি বাড়ানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন