পাশাপাশি ব্যাংক খাতের সুশাসন নিশ্চিত ও খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে সরকারকে সামষ্টিক কৌশল নিয়ে এগোতে হবে। যেখানে ব্যবসায়ী ও ব্যাংকাররা পরস্পর বসে খেলাপি ঋণ কীভাবে কমিয়ে আনা যায়, সেটা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে সেটার তদারকি বাড়াতে হবে। যেহেতু অর্থনীতি চাপের মধ্যে আছে, সুতরাং সব ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে সবার সঙ্গে সমন্বয় করে।

এদিকে সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য এখন শুধু দেশীয় বিষয়গুলো বিবেচনায় নিলে হবে না। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। সবকিছু মিলিয়ে চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এখন জরুরি। বর্তমান অবস্থায় কোনো ধরনের খামখেয়ালিপনা করলে, অর্থনীতিতে চাপ আরও বাড়তে পারে। এই সময়ে কৌশলী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। ব্যাংক খাত, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুই টিকিয়ে রাখতে হবে।

ব্যাংক খাতে কোনো গুজবের স্থান দেওয়া যাবে না। ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা ধরে রাখতে হবে। সেটি করা গেলে আমানত হারানোর শঙ্কা থাকবে না। এখন ব্যাংক খাতে যে তারল্য আছে, তা নিয়ে চিন্তিত হওয়ারও কিছু নেই। তবে ঋণখেলাপিদের আর সুযোগ না দিয়ে ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত বাড়াতে হবে। খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার এটাই ভালো সময়।