আগে এক লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করতে ৮৪ লাখ টাকা লাগত। এখন লাগছে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা। এত টাকা ব্যবসায়ীরা কোথায় পাবেন। সব মিলিয়ে খেলাপি ঋণ যে বাড়বে, সেটি অনুমেয় ছিল। সেটি বোঝার জন্য বড় অর্থনীতিবিদ হওয়ার দরকার নেই। এখন অনেক ভালো ব্যবসায়ীর পক্ষেও ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ কঠিন হয়ে পড়েছে।

খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত দুই–তিনটি কাজ করা যেতে পারে বলে আমার মনে হয়। বর্তমানে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যা–ই থাকুক না কেন, পণ্য ও কাঁচামাল আমদানির জন্য বাজারে ডলার ছাড়া উচিত বাংলাদেশ ব্যাংকের।

নিত্যপণ্যের পাশাপাশি অন্যান্য স্বাভাবিক পণ্যের সরবরাহ বাড়াতেই হবে। তা না হলে সামনের দিনে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে। ব্যবসায়ীরা যদি পথে বসে যান, তখন ৩০ থেকে ৪০ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ থাকলেও কোনো কাজে আসবে না।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, ব্যাংক ঋণের সুদের হার এখন কিছুটা বাড়ানোর সময় এসেছে। তবে সুদহারের সর্বোচ্চ সীমা পুরোপুরি তুলে না দিয়ে ২-৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।