বাজারে ওয়ালটন, স্যামসাং, সনি, এলজি, মিনিস্টার, সিঙ্গার, ভিশন, যমুনা, কনকা ইত্যাদি ব্র্যান্ডের টিভি জনপ্রিয়। টিভির বাজারে প্রায় ৭০ শতাংশ দেশীয় কোম্পানির দখলে। বিদেশি ব্র্যান্ডগুলোও খরচ কমিয়ে বাজার ধরতে দেশে কারখানা স্থাপন করছে।

গত রোববার রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিক্রয়কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ক্রিকেট ও ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে ইতিমধ্যে নতুন মডেলের এলইডি টেলিভিশন বাজারে এনেছে কয়েকটি ব্র্যান্ড। সঙ্গে বিভিন্ন মূল্যছাড় ও উপহার। তবে বিক্রয়কেন্দ্রে টেলিভিশন কেনার গ্রাহকের সংখ্যা এদকমই কম। অনেকে এসে দাম জিজ্ঞেস করলেও নিচ্ছেন না।

র‍্যাংগস ইমার্টের শেওড়াপাড়া বিক্রয়কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মো. শাহরিয়ার নুর বলেন, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে এখনো বেচাকেনা তেমন শুরু হয়নি। আশা করছি, ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে বিক্রি বাড়বে। আমরাও সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।

ওয়ালটন হাই–টেক ইন্ডাস্ট্রিজের উপনির্বাহী পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিশ্বকাপের কারণে অন্য মাসের তুলনায় আমাদের টিভি বিক্রি প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। তবে সেটিকে আশানুরূপ বলা যাচ্ছে না। অর্থনৈতিক অবস্থা নাজুক থাকায় গত ফুটবল বিশ্বকাপের মৌসুমের মতো বিক্রি হচ্ছে না।

জানা যায়, বর্তমানে দেশে প্রতিবছর ১৫ লাখের মতো নতুন টেলিভিশন বিক্রি হয়। দেশে এখন বিক্রীত টেলিভিশনের মধ্যে অধিকাংশই এলইডি প্রযুক্তির। পাশাপাশি স্মার্ট টিভির চাহিদা বাড়ছে।

গবেষণাপ্রতিষ্ঠান মার্কেটিং ওয়াচ বাংলাদেশের তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে মোট বিক্রি হওয়া ইলেকট্রনিক পণ্যের মধ্যে টেলিভিশনের বাজার প্রায় ৩০ শতাংশ। ২০২৫ সাল নাগাদ দেশের টেলিভিশনের বাজার বেড়ে ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে।

ইলেকট্রোমার্ট লিমিটেডের পরিচালক নুরুল আফসার বলেন, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে টেলিভিশন বিক্রি কিছুটা বেড়েছে। তবে আগের ফুটবল বিশ্বকাপ মৌসুমগুলোর তুলনায় কম।