বিকাশ কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, প্রচলিত পদ্ধতিতে কেওয়াইসি সম্পন্ন করে যাঁরা গ্রাহক হয়েছেন, তাঁদের জন্য ইকেওয়াইসির মাধ্যমে পুনরায় নিবন্ধনের উদ্যোগ নিচ্ছে বিকাশ কর্তৃপক্ষ। এর ফলে আরও অনেক গ্রাহক ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন। পাশাপাশি প্রচলিত পদ্ধতিতে যাঁরা গ্রাহক হয়েছেন, তাঁদেরও ঋণের আওতায় আনতে উদ্যোগ নিয়েছে তারা। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বায়োমেট্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করে গ্রাহক হয়েছেন, শুধু তাঁদেরই ঋণ দেওয়া যায়।

অন্যদিকে সিটি ব্যাংক জানিয়েছে, ঋণ পেতে গ্রাহককে দীর্ঘদিন বিকাশ অ্যাপস ব্যবহার করতে হবে। যেহেতু বিকাশের লেনদেন পর্যালোচনা করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ধারণ করে দিচ্ছে কারা ঋণ পাবেন, তাই যত বেশি ব্যবহার করবেন, তত ঋণ পাওয়ার যোগ্য হয়ে উঠবেন। বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৩০০ জন বিকাশ গ্রাহক প্রায় ছয় লাখ টাকা ঋণ পেয়েছেন। আর দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ঋণগ্রহীতার সংখ্যা বেড়ে ৩৩৭ হয়েছে। গড়ে প্রত্যেক গ্রাহকের ঋণপ্রাপ্তির পরিমাণ ২ হাজার ২০০ টাকা।

বিকাশের যেসব গ্রাহক ঋণ পাওয়ার যোগ্য, তাঁরা বিকাশ অ্যাপসের ‘লোন’ বিভাগে কয়েক ক্লিকেই পাচ্ছেন তাৎক্ষণিক ঋণ। এ জন্য কোনো নথিতে স্বাক্ষর করতে হচ্ছে না, প্রয়োজন হচ্ছে না কোনো নমিনি বা জামিনদারের। এর মাধ্যমে ডিজিটাল ক্ষুদ্রঋণের যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ।

নানা মানদণ্ডের ভিত্তিতে বিকাশের এমন যোগ্য গ্রাহকদের ৫০০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে সিটি ব্যাংক। যার সুদহার ৯ শতাংশ ও মেয়াদ সর্বোচ্চ তিন মাস। আজ দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে এই ডিজিটাল ঋণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন