বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৮ জুন সীমিত ও পরে ১ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়। তারপর ৪ জুলাই রোববার ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ ছিল। পরের রোববার অর্থাৎ ১১ জুলাইও ব্যাংকের শাখা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময় রোববারের পরিবর্তে মঙ্গলবার ব্যাংক বন্ধ রাখার পক্ষে ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তা। তাঁদের যুক্তি, এতে সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় বন্ধ থাকত। গ্রাহকের সেবায় তেমন সমস্যা হতো না। আর রোববার বন্ধ রাখায় টানা তিন দিন ব্যাংক সেবা থেকে বঞ্চিত থাকবেন গ্রাহকেরা। তবে শেষ পর্যন্ত এ যুক্তি টেকেনি।

পরে আবার করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন জারি করা হয়। লকডাউনের আওতায় সপ্তাহের রোববার ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাকি কার্যদিবসে ব্যাংক সকাল ১০টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার চলমান বিধিনিষেধ আরও ৫ দিন বাড়িয়ে ১০ আগস্ট পর্যন্ত করেছে সরকার। এ পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার গতকাল রোববার ব্যাংক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক বন্ধ থাকায় শেয়ারবাজারও বন্ধ থাকে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিতসংখ্যক লোকবল দিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। ব্যাংকের যেসব শাখা খোলা রাখা প্রয়োজন, শুধু সেগুলো খোলা রাখলে চলবে।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন