নগদ জানায়, ৯৫২ কোটি কোটি ৭১ লাখ টাকার মধ্যে ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটের মাধ্যমেই লেনদেন হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে এজেন্টের মাধ্যমে সরাসরি ক্যাশ ইন হয়েছে ২২০ কোটি টাকার বেশি। আর কার্ড ও ব্যাংক থেকে অ্যাড মানি হয়েছে ১০ কোটি টাকার মতো। এ ছাড়া সরকারি ভাতা ও অন্যান্য সহায়তা বিতরণ বাবদ ২৭৮ কোটি টাকার বেশি অর্থ গেছে নগদের মাধ্যমে।

নগদের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার সব মিলিয়ে ক্যাশ আউট হয়েছে ২৩৭ কোটি টাকা। আর পি–টু–পি ও মার্চেন্ট পেমেন্ট মিলিয়ে আরও প্রায় ২০০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্যাশ আউট হয়েছে রংপুর বিভাগে, আর সর্বোচ্চ ক্যাশ ইন হয়েছে ঢাকা বিভাগ থেকে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঈদ মৌসুমের কেনাকাটা, বেতন–ভাতা পরিশোধ ও প্রিয়জনের জন্য ঈদের খরচ পাঠানোসহ ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক পর্যায়ের লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। এর ফলে নগদের মাধ্যমে লেনদেন বেড়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ক্যাশ আউট চার্জ খুবই কম হওয়ায় (ভ্যাটসহ ১১ টাকা ৪৯ পয়সা) গ্রাহকেরা টাকা লেনদেনের জন্য নগদের সেবাটিকে পছন্দ করেন।

নগদের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর এ মিশুক জানান, ঈদের আগে লেনদেন যে এমন একটা পর্যায়ে যেতে পারে সেটা তাঁদের পূর্বাভাসের মধ্যেই ছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা বরং প্রত্যাশা করেছিলাম নগদ-এর মাধ্যমে লেনদেন আরেকটু বেশি হবে।’

তানভীর এ মিশুক আরও বলেন, ‘মাত্র তিন বছরের মধ্যে এক দিনের লেনদেনে নগদ সাড়ে নয় শ কোটি টাকা লেনদেনের মাইলফলক ছুঁয়েছে। এটা আমাদের জন্য আনন্দের একটি সময়।’

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন