বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, রাষ্ট্রমালিকানাধীন চার ব্যাংকের খেলাপি ঋণ আদায় সন্তোষজনক নয়। চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছ থেকে সোনালী ব্যাংকের আদায়ের লক্ষ্য ছিল ৩৫০ কোটি টাকা, কিন্তু আদায় হয়েছে মাত্র ১০ কোটি টাকা। একই সময়ে জনতা ব্যাংক ৮০০ কোটি টাকার বিপরীতে ৭ কোটি টাকা, অগ্রণী ২৪০ কোটি টাকার বিপরীতে ৩৬ কোটি টাকা এবং রূপালী ২২০ টাকার বিপরীতে মাত্র ৩৮ লাখ টাকা আদায় করেছে।

তবে অন্য খেলাপিদের কাছ থেকে সোনালী, অগ্রণী ও রূপালীর আদায় সন্তোষজনক। ৬ মাসে সোনালী ২৫ শতাংশ, অগ্রণী ১৯ শতাংশ ও রূপালী ১৬ শতাংশ আদায় করেছে। আর জনতা ব্যাংকের আদায় হয়েছে মাত্র ৮ শতাংশ।

সভায় বলা হয়, খেলাপি ঋণ আদায়, মূলধন ঘাটতি পূরণসহ বিভিন্ন সূচকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে জনতা ব্যাংক। এরপরই সোনালী, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক।
তবে আশ্চর্যজনক হলো, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সবচেয়ে বেশি নিট মুনাফা করেছে জনতা ব্যাংক। এই সময়ে ব্যাংকটি নিট মুনাফা করে ৩৭১ কোটি টাকা। অন্যদিকে অগ্রণী ব্যাংক ১৩২ কোটি টাকা, সোনালী ৯০ কোটি ও রূপালী ১২ কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছে।

সভায় ব্যাংকগুলো জানায়, ঋণ পরিশোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ছাড় দেওয়ার কারণে গ্রাহকেরা ঋণ পরিশোধ করছে না। এর ফলে ঋণ আদায় পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। একই কারণে সার্বিক সূচক খারাপ অবস্থায় রয়েছে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, করোনার কারণে ঋণ পরিশোধে ছাড় চলছে। এ জন্য ব্যাংকগুলোও খেলাপি ঋণ আদায়ের লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি। এরপরও তাদের তদারকি জোরদার করতে বলা হয়েছে। ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ পরিকল্পনা না থাকলেও আমানত সংগ্রহে জোর দিচ্ছে। এ বিষয়ে পেশাদার আচরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আমানত যাতে ব্যাংকগুলোর জন্য কাল হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে নজর দিতে বলা হয়েছে।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন