সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মূলত খোলাবাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি ও দর নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত কোনো মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠান দিন শেষে নিজেদের কাছে ২৫ হাজার ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা নগদে রাখতে পারবে। এর চেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা থাকলে মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানকে তা ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে (এফসি হিসাব) জমা দিতে হবে।

সে ক্ষেত্রেও একটি সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এফসি হিসাবে কোনোভাবে ৫০ হাজারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার চেয়ে বেশি জমা রাখতে পারবেন না।

প্রতিষ্ঠান চাইলে বাড়তি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকের কাছে বিক্রি করে দিতে পারবে। অবশ্য আগেও একই সীমা প্রযোজ্য ছিল।

এ ছাড়া ব্যবসা পরিচালনায় স্থানীয় মুদ্রা কোনোভাবেই নগদে ৫০ লাখ টাকার বেশি রাখতে পারবে না মানি চেঞ্জাররা।