চিঠিতে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি লিখেছেন, ‘আমরা মনে করি, সব শ্রেণির ঋণগ্রহীতার জন্য সমসুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ, সবাই ক্ষতিগ্রস্ত।’ এ জন্য ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে ছোট ও বড় সব শ্রেণির ঋণগ্রহীতাদের জন্য মেয়াদি, চলমান ও তলবি ঋণসহ সব ক্ষেত্রে গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ মেয়াদ আট বছর নির্ধারণের অনুরোধ করেন তিনি। একই সঙ্গে ছোট-বড় সবার জন্য ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে ন্যূনতম এককালীন জমা আড়াই শতাংশ করার প্রস্তাব দেন জসিম উদ্দিন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার এফবিসিসিআইয়ের সভাপতির চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংকে আনুষ্ঠানিকভাবে পৌঁছান সংগঠনের কর্মকর্তারা। যদিও জসিম উদ্দিন বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। আগামী সপ্তাহে তিনি দেশে ফিরবেন।

জসিম উদ্দিন চিঠিতে আরও বলেছেন, ‘করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটকে বিবেচনায় নিয়ে ঋণ শ্রেণীকরণ সুবিধা শর্তসাপেক্ষে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ব্যবসায়ীদের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হওয়ায় তাঁদের শর্ত সাপেক্ষে সুবিধাটি নেওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাচ্ছে। ঋণ শ্রেণীকরণ সুবিধা গ্রহণের জন্য কিস্তির ন্যূনতম পরিমাণ পরিশোধের শর্ত শিথিল করে অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি (সিএমএসএমই) ও কৃষি খাতের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ এবং বড় শিল্পের জন্য সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ নির্ধারণের জন্য আমরা ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করেছি। বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব নেওয়ায় আব্দুর রউফ তালুকদারকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান জসিম উদ্দিন। তিনি লেখেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে আপনি দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। গভর্নর হিসেবেও আপনি সফল হবেন বলে আমরা আশাবাদী।’

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন