ব্যাংক খাতে গত জুন শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। গত বছর সেপ্টেম্বরে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। গত জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে খেলাপি বেড়েছে ৯ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬০ হাজার ৫০২ কোটি টাকা। বেসরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৬৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা। বিদেশি ব্যাংকের ২ হাজার ৯৭০ কোটি ও বিশেষায়িত ব্যাংকের ৪ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ রয়েছে।

বেসরকারি ব্যাংকগুলো যে ঋণ বিতরণ করছে, তার ৬ দশমিক ২০ শতাংশ খেলাপি হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বিতরণ করা মোট ঋণের ২৩ শতাংশই খেলাপি। বিদেশি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার ৪ দশমিক ৭৭। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণের প্রায় ১২ শতাংশ খেলাপি।

ব্যাংকাররা বলছেন, করোনার কারণে দুই বছর ঋণ পরিশোধে বড় ছাড় ছিল। কোনো টাকা ফেরত না দিলেও কেউ খেলাপি হননি। চলতি বছরে এসব ছাড় অনেকটাই উঠে গেছে। ফলে খেলাপি ঋণ বাড়ছে।

এদিকে এর মধ্যে নতুন করে ছাড় দেওয়ার দাবি উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও এ নিয়ে কাজ করছে।