জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ব্র্যাক ব্যাংকের নিট মুনাফা ৪৩ শতাংশ বেড়েছে

সম্প্রতি ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ২০২৫ সালের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক চিত্র এবং চলতি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) ফলাফল প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেনছবি: ব্র্যাক ব্যাংক

ব্র্যাক ব্যাংক ২০২৫ সালে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এর ধারাবাহিকতা চলতি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকেও বজায় রয়েছে। এই প্রান্তিকে ব্র্যাক ব্যাংকের সমন্বিত নিট মুনাফা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯৬ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৩ শতাংশ বেশি। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৯০ পয়সা।

আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংকটি এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, সহযোগী প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে বিকাশের প্রবৃদ্ধিও ব্যাংকের সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছে। গ্রাহকদের আস্থা, সুশাসন, ডিজিটাল সক্ষমতা, নতুন সেবা এবং সম্প্রসারিত বিতরণ নেটওয়ার্কের কারণে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি এসেছে। সম্প্রতি ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ২০২৫ সালের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক চিত্র এবং চলতি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি–মার্চ) ফলাফল প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বিশ্লেষক, পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপক ও পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

ব্র্যাক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে তাদের সমন্বিত নিট মুনাফা ৫৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৫১ কোটি টাকা, যা আগের বছর ছিল ১ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা। একই সময়ে ব্যাংকের একক নিট মুনাফা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা। সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ১২ পয়সায়, যা ২০২৪ সালে ছিল ৬ টাকা ১৮ পয়সা। ঋণ বিতরণ ১৭ শতাংশ এবং আমানত সংগ্রহ ২৯ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে খেলাপি ঋণের হার কমে ২ দশমিক ২৭ শতাংশে নেমে এসেছে। প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও মানবসম্পদে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কারণে পরিচালন ব্যয়ও বেড়েছে।

ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, গ্রাহক ও অংশীজনদের আস্থা, সুশাসন এবং ডিজিটাল সক্ষমতার কারণেই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। দেশের আরও বেশি মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।