এই সেবার মাধ্যমে এক লাখ টাকা পর্যন্ত পাঠাতে খরচ পড়বে মাত্র ৮০ টাকা। আর মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে সমপরিমাণ অর্থ পাঠাতে খরচ পড়বে ১ হাজার ৪৯০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা। ফলে টাকা পাঠানোর সেবা মাশুলের যে চাপ রয়েছে, জনতা ব্যাংকের নতুন সেবার মাধ্যমে তা থেকে মুক্তি মিলবে। তবে সেবাটি চালু থাকলেও জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তারাও বিষয়টি নিয়ে তেমন ওয়াকিবহাল নন। ফলে নতুন এ সেবা নিতে পারছেন না অনেক গ্রাহক।

জানতে চাইলে জনতা ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক নূরুল ইসলাম মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, জনতা ব্যাংক প্রায় দুই বছর আগে সেবাটি চালু করে। তবে করোনার কারণে সেভাবে আলোচনায় আসেনি। এখন গ্রাহকেরা জানতে পারছেন, সেবাটি গ্রহণ করছেন। ব্যাংক শাখার পাশাপাশি এখন মোবাইল অ্যাপসেও সেবাটি যুক্ত করা হচ্ছে। ফলে টাকা পাঠাতে শাখায় যাওয়ারও প্রয়োজন হবে না।

জনতা ব্যাংক সূত্র জানায়, এ সেবার মাধ্যমে প্রতিদিন একজন গ্রাহক একবারে এক লাখ টাকা পর্যন্ত পাঠাতে পারবেন। দিনে সর্বোচ্চ পাঁচবার পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পাঠানো ও উত্তোলন করা যাবে। ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠাতে খরচ হয় ২০ টাকা, এরপর ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠাতে খরচ হয় ৩০ টাকা। ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠাতে খরচ হয় ৬০ টাকা। আর ১ লাখ টাকা পর্যন্ত পাঠাতে খরচ মাত্র ৮০ টাকা। যিনি টাকা পাঠাবেন, তাঁর কাছ থেকেই এ মাশুল নেওয়া হয়। যিনি টাকা উত্তোলন করবেন, তাঁর থেকে কোনো মাশুল রাখা হয় না। ফলে পুরো টাকাই পাচ্ছেন সুবিধাভোগীরা।

বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় প্রতি হাজার টাকা পাঠাতে খরচ হয় ১৪ থেকে ১৮ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত। সে হিসাবে জেবি পিন ক্যাশে প্রতি হাজারে খরচ পড়বে ২ টাকার কম।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন