বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কক্সবাজারের ইনানীর রয়েল টিউলিপ নামে পরিচিত হলেও এটির মালিকানা প্রতিষ্ঠান সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা। এ নামেই কোম্পানিটি ২০১৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। তালিকাভুক্ত হওয়ার পর নতুন করে ক্রুজ জাহাজের ব্যবসায় নামছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে দুটি জাহাজ কিনে এ ব্যবসায় যুক্ত হলেও ব্যবসার অবস্থা দেখে ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে আরও বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

পর্যটকদের জন্য নতুন জাহাজ চালুর বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে সুন্দরবন বেশ আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠবে। সে জন্য নতুন এ ব্যবসার জন্য এ এলাকাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) জুলহাস বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ‘ধীরে ধীরে আমরা পর্যটন ব্যবসার সব খাতের সঙ্গে যুক্ত হতে চাই। তারই অংশ হিসেবে ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের সুন্দরবন ঘুরিয়ে দেখাতে দুটি জাহাজ চালু করা হচ্ছে। এ ছাড়া কক্সবাজারে আমাদের হোটেলের পাশেই একটা ওয়াটার পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে।’ জুলহাস বিশ্বাস বলেন, ‘অক্টোবর থেকে এপ্রিল—এ ছয় মাস সুন্দরবনের ভেতরে যাওয়া যায়। এ সময়ের জন্য আমাদের দুই রাত তিন দিনের প্যাকেজ ট্যুরের ব্যবস্থা থাকবে। বাকি ছয় মাস দিনে দিনে সুন্দরবনের একাংশ ঘুরে দেখার ব্যবস্থা থাকবে। কারণ, ওই সময় সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি মেলে না।’

জানা গেছে, বর্তমানে বিভিন্ন মানের পর্যটকবাহী ২৯টি ক্রুজ জাহাজ চলাচল করে খুলনা-সুন্দরবন-খুলনা পথে। এর মধ্যে ভালো মানের জাহাজ রয়েছে ৮-১০টি। সুন্দরবন ভ্রমণপিপাসুদের কাছে ভালো মানের ক্রুজের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে এ পথে সবচেয়ে ভালো ক্রুজ জাহাজ দ্য ওয়েভ পরিচালনা করছে হলিডে শিপিং লাইনস। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আবু ফয়সাল মোহাম্মদ সায়েম বলেন, পদ্মা সেতু চালু হলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে সুন্দরবন ভ্রমণের আগ্রহ অনেক বাড়বে। তাই এ পথে ভালো মানের ক্রুজ জাহাজের চাহিদাও তৈরি হবে।

করপোরেট সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন