প্রণয় ধাবাই বলেন, ‘বাংলাদেশের বাজারে ক্রমবর্ধমান শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের চাহিদা মেটাতে ডাইকিন বিশেষ ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী প্রযুক্তির (ভিআরভি) মাধ্যমে ডাইকিন শিগগিরই ভোক্তাদের কাছে শীর্ষ পছন্দের নাম হতে যাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ডাইকিন মানুষের বাড়ি, অফিস কিংবা শিল্পকারখানার প্রথম পছন্দ হয়ে উঠবে।’

জিবিইএস এশিয়ার কর্মকর্তারা জানান, ভিআরভি প্রযুক্তির গ্রাহক চাহিদা ডাইকিনকে বিশ্বব্যাপী এসি বাজারে ৫০ শতাংশের বেশি শেয়ার এনে দিয়েছে। থাইল্যান্ড, ইতালি, মালয়েশিয়া, ভারত, চীন, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কারখানায় উৎপাদিত পণ্যে এইচডিএসি মান বজায় রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। এইচডিএসি হলো তাপ, বায়ু চলাচল ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণের সমন্বিত প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে যেকোনো আবদ্ধ স্থানে তাপমাত্রা, বায়ুর শুদ্ধতা বজায় রাখার প্রযুক্তি।

ডাইকিন ইন্ডিয়ার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তশিহারু শুরুমারু বলেন, বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত প্রযুক্তির শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র হলো ডাইকিন। বিদ্যুৎ সাশ্রয় এখানে খুব জরুরি। বাসাবাড়ি, অফিস কিংবা শিল্পকারখানা—সব ধরনের ব্যবহার উপযোগী করে উৎপাদন করা হয়েছে এই অত্যাধুনিক ভিআরভি প্রযুক্তির এসি। সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাইকিন ইন্ডিয়ার মহাব্যবস্থাপক জয়ন্ত জাওয়া, বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ফ্রান্সিস লুইস, উপমহাব্যবস্থাপক স্নেহাশিস কুমার ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার অগ্নিদীপ বৈদ্য।

করপোরেট সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন