কোরিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূতকে কেবিসিসিআইয়ের সংবর্ধনা
ঢাকায় নবনিযুক্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুনকে সংবর্ধনা দিয়েছে কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেবিসিসিআই)।
সম্প্রতি রাজধানীর হোটেল আমারিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারে গুরুত্বারোপ করা হয়। খবর বিজ্ঞপ্তি।
অনুষ্ঠানে কেবিসিসিআইয়ের সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কিম জি–জুনের নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে কেবিসিসিআইয়ের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া গত ৭০ বছরে যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে, বাংলাদেশ তা আরও দ্রুত অর্জন করতে সক্ষম। তিনি বলেন, কোরিয়ার উন্নয়নের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ এবং অতীতের ভুলগুলো এড়িয়ে চলতে পারলে বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে আরও দ্রুত চলতে পারবে। তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগ বাড়িয়ে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করায় জোর দেন।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয়) মো. নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রশংসা করেন। তিনি শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। এ ক্ষেত্রে কেবিসিসিআইয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে কেবিসিসিআইয়ের সভাপতি শাহাব উদ্দিন খানের হাতে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সার্টিফিকেট অব মেরিট আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়। ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হোয়ানের স্বাক্ষরিত এ সম্মাননা তুলে দেন। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং কোরিয়ার কূটনৈতিক কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
এ ছাড়া রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামের হাতে স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেয় কেবিসিসিআই।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতা ও কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। পরে নৈশভোজ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।