‘শিক্ষক সমাজের আয়না, শিক্ষক একজন সততা ও বিশুদ্ধতার প্রতীক। তাঁকে ২৪ ঘণ্টা সততার কথা, ভালো কথা বলতে হয়। এ কারণে তাঁর দ্বারা ত্রুটিবিচ্যুতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। শিক্ষার্থী ও লাখ লাখ মানুষকে তিনি সততা, আদর্শ ও বিশুদ্ধতার পরামর্শ দেন।’ নিজের কাজ ও দায়িত্ব সম্পর্কে এমনটাই জানান মো. আতিকুর রহমান।

নিজেদের জ্ঞান আর স্বপ্নের বীজ ছড়িয়ে দিতে শিক্ষকেরা করে যান অক্লান্ত পরিশ্রম। শিষ্যদের সাফল্যে হন আপ্লুত ও গৌরবান্বিত। শুদ্ধতা ও শুভ্রতার বাহক হয়ে তাঁদের হাতে গড়া শিক্ষার্থীরাই নেতৃত্ব দেন সমাজ, জাতি ও দেশের। আর তাই সম্মান ও শ্রদ্ধার সর্বোচ্চ আসনের যোগ্যতম অধিকারী তো তাঁরাই।

মো. আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমি যখন সাদা শার্ট পরে শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়াই, তখন আমি আমার পোশাকটি অপরিচ্ছন্ন কি না বা কোনো ময়লা দেখা যাচ্ছে কি না, এ নিয়ে সতর্ক থাকি। আমি পোশাকটি যেমন যত্নœ করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখি, ঠিক তেমনি শিক্ষক হিসেবে আমি শ্রেণিকক্ষে যে আদর্শ, সততা ও মননশীলতার কথা বলি, মানুষ হিসেবেও আমি বিশুদ্ধ থেকে বিশুদ্ধতার কথা ছড়িয়ে দিই। বাইর থেকে যখন বাসায় আসি, তখন আমার সাদা শার্ট চেক করে দেখি কোনো ময়লা লেগে আছে কি না। কোনোভাবে ময়লা দেখা গেলেই আমি ডিটারজেন্ট বা সাবান দিয়ে সেটা ধুয়ে পরিষ্কার করে নিই এবং সেই শার্ট ইস্ত্রি করি।’

মানুষ গড়ার কারিগর, সাদা কাপড়ের পরিচ্ছন্ন সব মহান মানুষের প্রতি আমাদের আজন্ম ঋণ, অকুণ্ঠ কৃতজ্ঞতা আর বিনম্র শ্রদ্ধা।

করপোরেট সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন