বগুড়ায় ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’–এর নির্মাণ শুরু
বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক অ্যাগ্রো টুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ, বগুড়া’র নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে।
গত শনিবার বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাগইল গ্রামে বাঁকাদীঘির পাড় এলাকায় প্রকল্পের নির্ধারিত স্থানে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়ার মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল মজিদ প্রামাণিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. মনিয়া খানম, কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব, ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম প্রমুখ। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রকল্পের লক্ষ্য ও সম্ভাবনা তুলে ধরে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। অ্যাগ্রো ট্যুরিজম এ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। এখানে কৃষক শুধু ফসল বিক্রি করেন না, বরং কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত অভিজ্ঞতাকেও পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে পারেন। স্মার্ট কৃষিই হতে পারে বাংলাদেশের কৃষি খাতের পরবর্তী অগ্রযাত্রার অন্যতম ভিত্তি। “সুখের খামার” সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার একটি উদ্যোগ।’
প্রকল্পের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম বলেন, ‘এক বছর আগে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আজ তার বাস্তব প্রতিফলন তুলে ধরছি। আমাদের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে একটি গ্রামে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তৈরি হয়েছে।’
চলতি বছরের গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় ত্রয়োদশ এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার ২০২৬–এ সুখের খামার এগ্রোর নকশা উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে দেড় শতাধিক অংশীদার হাতে দলিলও বুঝে পান।