একটা উদাহরণ দিই। তিন সপ্তাহ আগে তুরস্ক থেকে ৫০০ টন শর্ষে বীজ আমদানির জন্য রপ্তানিকারকের সঙ্গে যোগাযোগ করি। ব্যাংকও সম্মতি দেয়। সাড়ে তিন লাখ ডলারের ঋণপত্র খোলার জন্য সব কাগজপত্র গুছিয়ে এনে যখন ব্যাংকে যাই, তখন তারা জানাল, ডলার-সংকট। অঙ্গীকার দিয়ে ব্যাংকও সরে আসে। এখন তুরস্কের ওই রপ্তানিকারকের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা হারালাম। 

ঋণপত্র খোলার জন্য এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছি। ব্যাংক এখন জানাচ্ছে, ডলারের সংস্থান করতে পারলে তারা ঋণপত্র খুলতে পারবে। যারা রপ্তানি করছে, তাদের জন্য ঋণপত্র খোলা সম্ভব হচ্ছে। আমরা কোথায় থেকে ডলারের সংস্থান করব? এমনিতেই এখন যারা ঋণপত্র খুলে পণ্য আমদানি করছে, তারা একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে। আমদানি দায় শোধ করার সময় যদি বাড়তি দরে ডলার কিনতে হয়, তাহলে আরেকবার ধাক্কা আসবে আমদানিকারকদের জন্য।

ছোট ছোট চালানের ঋণপত্র যদি খোলা না যায়, তাহলে সামনে এসব পণ্যের সরবরাহ কমে ঘাটতি তৈরি হবে। ঘাটতি হলে স্বাভাবিকভাবেই বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার শঙ্কা থাকে। এ জন্য অন্তত জরুরি নিত্যপণ্যের সরবরাহ যাতে ঠিক থাকে, সে জন্য ঋণপত্র খোলায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত।