বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমেরিকার শীর্ষ ব্যাংকের লক্ষ্য মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে বেঁধে রাখা। শিল্পে প্রাণ ফেরাতে সুদ বৃদ্ধির ঝুঁকি না নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে সমীক্ষায়।

বস্তুত করোনা–পরবর্তী পর্যায়ে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোর ঘুরে দাঁড়ানোর গতি কম। অর্থনীতির দৃষ্টিকোণে ‘সম্ভাবনাময়’ হিসেবে চিহ্নিত দেশগুলোর অবস্থাও একই রকম। এই দুইয়ের জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে আবার মন্দার আশঙ্কা ঘনীভূত হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন।

তাঁদের দাবি, করোনা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে আমেরিকার আকাশে মন্দার মেঘ জমাট বাঁধার লক্ষণ স্পষ্ট। বন্ড বাজারের পাশাপাশি উৎপাদন খাতেও সংকোচনের আঁচ লেগেছে। ফলে জোরালো হয়েছে ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। আঘাত আসতে পারে চাকরির বাজারে।

সমীক্ষা সংস্থা মুডিস অ্যানালিটিকস সম্প্রতি পূর্বাভাস দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার শিগগিরই পঞ্চাশের দশকের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলতে পারে।

অন্যদিকে সংবাদ সংস্থা সিএনবিসির আরেক জরিপে জানা গেছে, ৮১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মন্দার আশঙ্কা করছেন। চার হাজার প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ওপর পরিচালিত জরিপ থেকে এই ফলাফল পাওয়া গেছে।

তবে সবাই একইভাবে মন্দার আশঙ্কা করছেন না। জরিপে দেখা গেছে, রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকদের মধ্যে মন্দার আশঙ্কা বেশি। ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট পার্টির সমর্থকদের সেই আশঙ্কা অতটা তীব্র নয়। এ ছাড়া যাঁরা মনে করছেন, এ বছর তাঁদের আর্থিক অবস্থার অবনতি হওয়ার বাস্তবতা আছে, তাঁদের মধ্যেও মন্দার আশঙ্কা বেশি।

তবে যুক্তরাষ্ট্র গত এক বছরে অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। শ্রমবাজারের অবস্থাও শক্তিশালী। শ্রমিকদের মজুরিও বেড়েছে। কিন্তু মূল্যস্ফীতি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে আছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব। এতে বিশ্ব অর্থনীতি আবারও ধাক্কা খাবে, তা পরিষ্কার।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন