গত ২৮ মার্চ বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আজ অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্বরাষ্ট্রসচিব, খাদ্যসচিব, কৃষিসচিবসহ প্রতিযোগিতা কমিশন, টিসিবি, এফবিসিসিআই, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের নিম্ন আয়ের এক কোটি পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়া হচ্ছে। আমদানি পণ্যের দ্রুত খালাস ও শুল্কায়ন এবং দ্রুত পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ, মজুত ও মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ভোজ্যতেলের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের সুফল দেশের মানুষ পেতে শুরু করেছে। দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে। অন্যান্য পণ্যের মজুত স্থিতিশীল, বাজারে পণ্যের ঘাটতি নেই।

সড়কে পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কঠোর ব্যবস্থা নেবেন বলে টিপু মুনশিকে আশ্বস্ত করেছেন। এ কথা জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। বৈঠকেও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করছে, এটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, কোথায় কোথায় চাঁদাবাজি হচ্ছে, খোঁজ নিয়ে তিনি ব্যবস্থা নেবেন।

পণ্য নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী মজুতদারদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে মাত্রাতিরিক্ত দাম নেওয়ার ওপর নজরদারি বৃদ্ধি এবং ভোজ্যতেলের মিলগেট, পরিবেশক ও ভোক্তা পর্যায়ের বিক্রয়মূল্য ঠিকভাবে প্রদর্শন ও বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে টাস্কফোর্স।