বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেতু বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ প্রকল্পে অর্থায়নে প্রথমে আগ্রহ প্রকাশ করে মালয়েশিয়া। দুই পক্ষের মধ্যে আলাপ–আলোচনা চললেও তা বেশি দূর এগোয়নি। পরে চীন এ প্রকল্পে অর্থায়নে এগিয়ে আসে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে চীন সরকারও সরে যায়। দুটি দেশই বিল্ড, অপারেট অ্যান্ড ট্রান্সফার (বিওটি) পদ্ধতিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব করেছিল। এখন এসে পিপিপিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

২০১৭ সালের সমীক্ষায় এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার কোটি টাকা। গতকাল কমিটির বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আরেফিন জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ১৬ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বেশি। পিপিপিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদনের পর এখন দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তারপর অনুমোদনের জন্য ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হবে।

এদিকে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় এখনই ব্যয় বেড়েছে ছয় হাজার কোটি টাকা। এ ব্যয় আরও অনেক বেড়ে যেতে পারে।

সেতু বিভাগ বলছে, সাভার উপজেলার ‘মধুমতি মডেল টাউনে’র কাছে হবে উড়ালসড়কের মূল পয়েন্ট। সেখান থেকে একটি অংশ চলে যাবে সাভার-হেমায়েতপুরে। অপর অংশটি গিয়ে ঠেকবে পুরান ঢাকার নিমতলী থেকে কেরানীগঞ্জ-ইকুরিয়া-জাজিরা-ফতুল্লা-হাজীগঞ্জ-বন্দর-মদনপুর হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কে। হেমায়েতপুর থেকে সাভার বালিয়াপুর হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কে এটি মিলিত হবে। এই উড়ালসড়কের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর সঙ্গে ঢাকা-আরিচা ও ঢাকা-চট্টগ্রাম, দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই মহাসড়কের মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হবে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন