বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

রাজধানীতে গতকাল সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও উইমেন ইকোনমিক এমপাওয়ারমেন্ট থ্রো স্টেনদেনিং মার্কেট সিস্টেম (ডব্লিউইইএসএমএস) আয়োজিত কর্মশালায় স্বপ্না সেন কথাগুলো বলেন। কর্মশালার বিষয় ছিল ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাত এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজে গবেষণা নীতির সংযোগ। এতে এলজিআরডিমন্ত্রী তাজুল ইসলাম প্রধান অতিথি এবং সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ ছিলেন বিশেষ অতিথি। কর্মশালা সঞ্চালনা করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষণা পরিচালক খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

প্রবন্ধে বলা হয়, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে টেনে তুলতে যে ঋণ দেওয়ার নীতি নেওয়া হয়েছে, তাতে গবেষণার কোনো ভূমিকা ছিল না। এ কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। নতুন করে কোনো নীতি গ্রহণের আগে প্রান্তিক পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের সমস্যা ও চ্যালেঞ্জকে বিবেচনায় নিতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান এম আবু ইউসুফ বলেন, নারী ও ছোট উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে এখন বৃত্তের বাইরে গিয়ে চিন্তা করতে হবে। সময় হয়েছে এসএমই ব্যাংক ও নারী ব্যাংক চালু করার।

এমএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক ফারজানা খান বলেন, ‘নারী উদ্যোক্তারা চাহিদামতো ঋণ পাচ্ছেন না। আমরা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছি, সেখানেও নারীরা ঋণ পাচ্ছেন না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সায়মা হক বলেন, এসএমই খাতের জন্য যে নীতিমালা করা হয়েছে, তা অনেক ভালো। তবে এর বাস্তবায়ন আশানুরূপ নয়। দ্বিতীয় ধাপের ঋণ পরিশোধের শর্ত আরও শিথিল করতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, এ সময়ে ব্যবসায়ীদের সহায়তা দেওয়ার পরিবর্তে উল্টো কষ্ট দেওয়া হচ্ছে। তেলের দাম বাড়ায় ছোট উদ্যোক্তারা চাপে পড়বেন।

সুইডেনের রাষ্ট্রদূত অ্যালেক্স বার্গ ফন লিন্ডে বলেন, নারীদের জন্য কাজের পরিবেশ অনুন্নত। আবার নারী কর্মীদের বেতন-ভাতাও কম। করোনার কারণে অনেকের আয় কমে গেছে। এ জন্য নীতি সহায়তা প্রয়োজন।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন