আইএমএফ অবশ্য অর্থবছর (জুলাই-জুন) নয়, পঞ্জিকাবর্ষ (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) ধরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়ে থাকে। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংক ও এডিবি অর্থবছর তথা জুলাই-জুন ধরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়। চলতি মাসে এই দুটি সংস্থাও প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক বলেছে, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। আর এডিবি দিয়েছে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস।

এদিকে দেশের মূল্যস্ফীতি কেমন হবে, সেই পূর্বাভাসও দিয়েছে আইএমএফ। সে অনুযায়ী, বছরজুড়েই উচ্চ মূল্যস্ফীতি অব্যাহত থাকে। পুরো বছরের গড় মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে আগামী ২০২৩ সালে তা কিছুটা কমে ৫ দশমিক ৯ শতাংশে নামতে পারে। অন্যদিকে সরকারি হিসাব বলছে, কয়েক মাস ধরেই দেশে মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের আশপাশে রয়েছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি কমে গেছে। ফলে চলতি বছরে বিশ্বের গড় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

আইএমএফ বলছে, চলতি ২০২২ সালে এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে ভারতের। অন্য দেশগুলোর মধ্যে ভুটানে ৪ দশমিক ৪, নেপালে ৪ দশমিক ১, পাকিস্তান ৪ ও শ্রীলঙ্কায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। তবে মালদ্বীপের জিডিপি ২৪ শতাংশের বেশি সংকুচিত হতে পারে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন