বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এক বছরে স্থলবন্দরের আয় বেড়েছে ৩০%

স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বিদায়ী অর্থবছরে স্থলবন্দরগুলো থেকে ২৬৭ কোটি টাকা আয় হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে ৩০ শতাংশের বেশি আয় বেড়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে সব মিলিয়ে আয় হয়েছিল ২০৩ কোটি টাকা। বেনাপোল, ভোমরা ও বুড়িমারী—এই তিনটি স্থলবন্দর থেকে মোট আয়ের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এসেছে। এই তিনটি বন্দরের আয় ১৮৩ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে বিধিনিষেধের আওতায় বাইরে ছিল স্থলবন্দরের কার্যক্রম। তাই আমদানি-রপ্তানিও বিঘ্নিত হয়। এ ছাড়া ব্যবসায়ীরা এই করোনার সময়ে আমদানি-রপ্তানি হ্রাস করেননি। ফলে স্থলবন্দরের আয় বেড়েছে। প্রতিটি স্থলবন্দরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মীরা কাজ করেছেন। তিনি জানান, করোনার সময়ে দেশের পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে তুলনামূলক বেশি আমদানি-রপ্তানি হয়েছে।

১০ বছরের ব্যবধানে স্থলবন্দর থেকে আয় প্রায় সাড়ে ছয় গুণ বেড়েছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে বার্ষিক আয় ছিল ৪১ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে স্থলবন্দরের আয় শত কোটি টাকা পেরিয়ে যায়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ২০০ কোটি টাকা ছাড়ায়।

আমদানি-রপ্তানি আবার ২ লাখ টন ছাড়াল

গত অর্থবছরে আবারও স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ দুই লাখ টন ছাড়াল। কয়েক বছর ধরেই স্থলপথে দুই লাখ টনের বেশি আমদানি-রপ্তানি হচ্ছিল। কিন্তু ২০১৯-২০ অর্থবছরের মার্চ মাসে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে আমদানি-রপ্তানি কিছুটা শ্লথ হয়। ফলে ওই অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়ায় দেড় লাখ টন। তবে বিদায়ী অর্থবছরে তা আবার বেড়ে ২ লাখ ১২ হাজার টন হয়। এর মধ্যে আমদানি হয় ২ লাখ ১ টন পণ্য। আর রপ্তানি হয় ১১ লাখ টনের মতো পণ্য।

স্থলবন্দর দিয়ে যত পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়, তার ৯৯ শতাংশের বেশি হয় ভারতের সঙ্গে। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে শুধু মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য হয়। বছরে এক লাখ টনের মতো পণ্য আসা-যাওয়া করে এই বন্দর দিয়ে। বেনাপোল, ভোমরা ও বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ৮৬ শতাংশ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়েছে।

তবে বেনাপোল, বুড়িমারী, ভোমরাসহ হাতে গোনা স্থলবন্দর ছাড়া অন্য স্থলবন্দরগুলোর অবকাঠামো খুব উন্নত নয়। তাদের আয়ও খুব বেশি নয়।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন