বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভার শুরুতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এস এম তাহসিনুল হক জানান, গত এক মাসের ব্যবধানে কুষ্টিয়ার অন্যতম চালের মোকাম খাজানগরের মিলগেটে সব ধরনের চালের দাম কেজিপ্রতি গড়ে দুই টাকা করে বেড়েছে। সামনে দাম আরও বাড়লে চাল সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যেতে পারে।

খাজানগর এলাকার দেশ অ্যাগ্রো গ্রুপের মালিক আবদুল খালেক বলেন, ঘটনা সত্য, দাম বেড়েছে। কারা ইচ্ছে করলে বাজার বাড়াতে পারে আর কারা পারে না, সেটা খুঁজে বের করতে হবে।

চালের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে চালকলমালিকেরা তিনটি কারণ উল্লেখ করেন—এক. দেশের যেসব বড় গ্রুপ অব কোম্পানি চাল উৎপাদন করছে, তারা দ্রুত সময়ে ধান কিনে মজুত করে ফেলে। দুই. তেলের দাম বেড়েছে। তিন. ধানের দাম বাড়তি ও ভারতে চালের দামও বেড়েছে।

বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিলমালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কুষ্টিয়া খাজানগর এলাকার সবচেয়ে বড় রাইচমিলের মালিক আবদুর রশিদ বলেন, ‘আমরা ধান কিনে চাল উৎপাদন করি। অতিরিক্ত মুনাফা করলে আমরা দায়ী। আমরা কখনোই অধিক হারে চালের দাম বাড়াই না। চালের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আদৌ মিলাররা (চালকলমালিক) জড়িত নন। এমন অভিযোগের ভিত্তি নেই।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন