এ নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি খোলাসা করেন। তিনি প্রথম আলোকে ঘটনা সম্পর্কে বলেন, মন্ত্রী তাঁর পরিচিত একজনকে একটি বেয়ারার চেক দেন। সেটি একটি ব্যাংকের এলিফ্যান্ট রোড শাখায় জমা দিলে ‘ডিসেম্বর’ বানানটি বাংলায় লেখা থাকায় চেকটি প্রথমে ফেরত দেওয়া হয় ওই শাখার কাউন্টার থেকে। পরে ওই ব্যক্তি বাসায় ফিরে মন্ত্রীকে বিষয়টি অবহিত করেন। মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে নিজে ব্যাংকের ওই শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন। এরপর শাখাটি পুনরায় চেকটি অনার করে।

মোস্তফা জব্বার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার হিসাব ব্যাংকটির মতিঝিলের প্রিন্সিপাল শাখায়। আমি চেকে বরাবরই মাসের নাম বাংলায় লিখি। কিন্তু প্রিন্সিপাল শাখায় এ নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। এবারের চেকেও আমি তারিখটি লিখেছি “০২ ডিসেম্বর, ২০২১”। এটি ছিল বেয়ারার চেক। যাঁকে চেকটি দিয়েছি, তিনি ব্যাংকটির এলিফ্যান্ট রোড শাখায় জমা দিতে গিয়ে প্রথমে ব্যর্থ হন মাসের নাম বাংলায় লেখার কারণে। পরে আমি যোগাযোগ করায় চেকটি অনার হয়।’

এ নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠানকে খাটো করতে এই স্ট্যাটাস দিইনি। ভাষার মর্যাদা রক্ষায় এটি করেছি। কারণ, বাংলাদেশই একমাত্র ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র। ভাষার জন্যই এই রাষ্ট্রের জন্ম। আগে প্রযুক্তিগত দিক থেকে বাংলা কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও এখন সেই অবস্থা নেই।’
তবে ব্যাংকটির নাম জানাতে রাজি হননি মন্ত্রী।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন