default-image

সরকারি চাকরিজীবীরা অবসরে যাওয়ার ঠিক এক বছর আগে অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) যান। এলপিআর শেষ হওয়ার পর তাঁরা যান অবসরে। এই অবসরের নামই অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল)।

কেউ কেউ এলপিআরে থাকতেই পিআরএলে যেতে চান এবং যানও। সে ক্ষেত্রে পেনশন, আর্থিক সুবিধা, অবসরের তারিখ, এলপিআর শুরুর তারিখ এবং চূড়ান্ত অবসর শুরুর তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

এই বিভ্রান্তি দূর করতেই আজ রোববার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব খালেদা নাছরিন।

বিজ্ঞাপন
এলপিআরকে পিআরএলে রূপান্তর করলে পিআরএলকাল পেনশনযোগ্য চাকরি হিসেবে গণ্য হবে না। তবে ওই সরকারি কর্মচারী এলপিআরে থাকার সময় যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, পিআরএলে গেলেও তিনি ওগুলো পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে অর্থ বিভাগ বলেছে, এলপিআরকে পিআরএলে রূপান্তর করলে পিআরএলকাল পেনশনযোগ্য চাকরি হিসেবে গণ্য হবে না। তবে ওই সরকারি কর্মচারী এলপিআরে থাকার সময় যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, পিআরএলে গেলেও তিনি ওগুলো পাবেন।

অর্থ বিভাগ একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বুঝিয়ে দিয়েছে। যেমন ক-এর জন্মতারিখ ১৯৬২ সালের ১ জানুয়ারি। ক-এর ৫৯ বছর বয়স পূর্ণ হবে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর এবং ওই দিনই তিনি অবসরে যাবেন। ছুটি পাওনা সাপেক্ষে ক-এর পিআরএল শুরু হবে অবসরে যাওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ক ১২ মাস পিআরএল ভোগ করলে তার ছুটি শেষ হবে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর এবং তার চূড়ান্ত অবসরে যাওয়ার তারিখ হবে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি। তবে পিআরএল ভোগ না করলে ক-এর চূড়ান্ত অবসরে যাওয়ার তারিখ হবে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর।

প্রজ্ঞাপনের কপি আজই অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের কার্যালয়, হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়সহ রাষ্ট্রমালিকানাধীন সব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে বলে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন
অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন