বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্যারিস স্কুল অব ইকোনমিকসের তৈরি ওয়ার্ল্ড ইনইকুয়ালিটি রিপোর্ট বা বৈশ্বিক অসমতা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য আলাদাভাবে অসমতার তথ্য দেওয়া হলেও বাংলাদেশের এ–সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রতিবেদনে নেই।
সম্পদ ও আয় অসমতার পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতেও অসমতার মারাত্মক চিত্র ধরা পড়েছে এই প্রতিবেদনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেখানে প্রতি লাখ মানুষের জন্য ৩৩টি আইসিইউ শয্যা আছে, সেখানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে আছে মাত্র ২টি। সাব–সাহারা অঞ্চলে এ চিত্র আরও করুণ। সেখানে প্রতি লাখ মানুষের জন্য আইসিইউ শয্যা আছে শূন্য দশমিক ৬টি। এ ছাড়া বাংলাদেশসহ সাতটি উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ২০২০ সালে করোনার সংক্রমণের শুরুতে এক-তৃতীয়াংশেরও কম হাসপাতাল ও ক্লিনিকে মাস্ক ছিল।

প্রতিবেদনের মুখবন্ধ লিখেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জি ও এস্থার দুফলো। মুখবন্ধে তাঁরা জানান, সঠিক নীতি করা হলে অসমতা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আবার ভুল নীতির কারণে অসমতা লাগাম ছাড়া হয়ে যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে তাঁরা রোনাল্ড রিগ্যান ও মার্গারেট থ্যাচারের নব্য উদারনীতিবাদী (বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি) নীতির সমালোচনা করেছেন। এ ধারার কারণে ভারত ও চীনে প্রবৃদ্ধির হার বাড়লেও ভারত এখনো বিশ্বের সবচেয়ে অসম দেশের একটি বলে মন্তব্য করেন এ দুই অর্থনীতিবিদ।
এদিকে চলতি বছর বৈশ্বিক বিলিয়নিয়ার তথা অতিধনীদের পারিবারিক সম্পদের সম্মিলিত পরিমাণ বেড়ে বৈশ্বিক সম্পদের ৩ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা ২০২০ সালের প্রথম দিকে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আগে ছিল ২ শতাংশের সামান্য বেশি।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন