বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, ভারতের গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৯৪৭ ডলার। বাংলাদেশির মুদ্রায় যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৭০ টাকা, যা বাংলাদেশের চেয়ে ২৮০ ডলার কম। অর্থাৎ ভারতের একজন নাগরিকের চেয়ে বাংলাদেশের একজন নাগরিক বছরে ২৩ হাজার ৭৫৩ টাকা বেশি আয় করেন।

কোভিড-১৯ মহামারি এবং এটি মোকাবিলায় নেওয়া লকডাউন দেশটির অর্থনৈতিক সংকোচনের অন্যতম কারণ।

গত অর্থবছরে (২০১৯-২০) বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৬৪ ডলার। তার আগের অর্থবছরে (২০১৮-১৯) মাথাপিছু গড় আয় ছিল ১ হাজার ৯০৯ ডলার।

২০০৭ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ভারতের মাথাপিছু আয়ের অর্ধেক ছিল।

গত বছরের অক্টোবরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে পূর্বাভাস দেওয়া হয়, ২০২০ পঞ্জিকাবর্ষে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ। ওতে বলা হয়, বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হবে ১ হাজার ৮৮৮ ডলার। আর একই সময়ে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি হবে ১ হাজার ৮৭৭ ডলার।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মূলত করোনার কারণে ভারতের অর্থনীতি বেশি মাত্রায় সংকুচিত হবে। সে তুলনায় বাংলাদেশে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হবে। এ কারণেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ চলে আসবে বাংলাদেশের সামনে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন