বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজশাহী নগরের সাধুর মোড় এলাকা থেকে সপুরা সিল্কের বিক্রয়কেন্দ্রে আসা তরুণী তানিয়া শারমিন জানান, তাঁর একটি অনলাইন পেজ রয়েছে। এখান থেকে মসলিন থান বা র সিল্কের শাড়ি কিনে নিয়ে তিনি তার ওপর নকশা করে বিক্রি করেন। আরও অনেকেই তানিয়া শারমিনের মতো এখান থেকে কাপড় ও পোশাক কিনে নিয়ে বাড়িতে বসেই অনলাইনে বিক্রি করেন বলে জানা গেছে।

এবার পোশাকে অনেক বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। তাই চাহিদা বেড়েছে। তবে থ্রি–পিস, পাঞ্জাবি ও শাড়ি বিক্রি হচ্ছে বেশি।
মো. আশরাফ আলী, পরিচালক, সপুরা সিল্ক

পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর থেকে আসা সাব্বির হোসেন নামের এক যুবক জানান, সিল্কের পাঞ্জাবি কিনতে এসেছেন। রাজশাহী অঞ্চলের মানুষ হিসেবে সিল্কের পোশাকই তাঁদের বেশি পছন্দ। তাই এলাকার জনপ্রতিনিধির জন্য সিল্কের পাঞ্জাবি কিনতে রাজশাহীতে এসেছেন। অ্যান্ডি সিল্কের ন্যাচারাল কালারের পাঞ্জাবি খুঁজছিলেন তিনি।

ধুপিয়ান সিল্কের একটু ভারী কাপড়ের পাঞ্জাবিগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাধারণত মানুষ পরে থাকেন। নিজের সহকর্মীদের জন্য এই পাঞ্জাবি কিনতে সিরাজগঞ্জ থেকে একজন সরকারি কর্মকর্তা রাজশাহীতে এসেছেন। তিনি একসঙ্গে ১০টি পাঞ্জাবি কিনেছেন। এসব পাঞ্জাবির কোনো কোনোটির দাম সাড়ে ১০ হাজার টাকা।

সপুরা সিল্কের ব্যবস্থাপক সাইদুর রহমান জানান, তাঁরা মসলিন থানের ওপর কাজ করা শাড়ি সাড়ে ৬ হাজার থেকে ১৯ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন। আর থ্রি–পিস বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার থেকে ১৯ হাজার টাকায়। হাতের কাজ করা একেকটি পাঞ্জাবি সাড়ে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাঞ্জাবির জন্য বিখ্যাত হচ্ছে তাদের অ্যান্ডি সিল্ক, যেগুলোর দাম সাত থেকে আট হাজার টাকা। তাঁরা সিল্কের শাড়ি তিন হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

সিল্কের আদিযুগ থেকেই বলাকা সিল্ক জনপ্রিয়। এই সিল্কের শাড়ি ১০ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা ও পাঞ্জাবি ৭ থেকে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উষা সিল্ক নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানে গিয়েও জানা গেল, এবার সিল্কের পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। সেখানেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। প্রতিষ্ঠানের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জহুরুল ইসলাম বলেন, আগের চেয়ে এবার চাহিদা অনেক বেশি। তবে সবচেয়ে বেশি চলে সিল্কের থ্রি–পিস, পাঞ্জাবি ও শাড়ি।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন