বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কৃষকেরা বলেন, সাধারণত ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত এ বেগুন উৎপাদিত হয়। প্রতি শতাংশ জমিতে প্রায় দুই মণ বেগুন উৎপাদিত হয়। এ বেগুন খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু।

গত সোমবার সদরের কামারের চরবাজারে গিয়ে দেখা যায়, বিপুলসংখ্যক কৃষক বাজারে বোতল বেগুন বিক্রির জন্য এনেছেন। এটি একটি পাইকারি বাজার। এখান থেকে পাইকারেরা বেগুনসহ অন্যান্য সবজি কিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠান।

ওই বাজারে কথা হয় উপজেলার চরভাবনা গ্রামের কৃষক আমেজ উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ৫০ শতাংশ জমিতে বোতল বেগুন আবাদ করেছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। এখন পর্যন্ত ১৫-১৬ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন। আরও প্রায় এক মাস বেগুন বিক্রি করতে পারবেন। এতে তাঁর ভালো লাভ হবে বলে আশা করছেন।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবাইয়া ইয়াসমিন প্রথম আলোকে বলেন, শেরপুরের বোতল বেগুনে অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। উপজেলার চরাঞ্চলের কৃষকেরা বর্ষা মৌসুমের পরপরই এ বেগুন আবাদ করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। তাই দিন দিন চরাঞ্চলে এ বেগুনের আবাদ বাড়ছে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন