চুক্তি সইয়ের পর বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সাংবাদিকদের বলেন, বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সিঙ্গাপুর একটি সম্ভাবনাময় দেশ। উভয় দেশের মধ্যে এফটিএ স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগির দর–কষাকষি শুরু হবে। এ নিয়ে উভয় দেশের যৌথ কার্য দল (জেডব্লিউজি) কাজ করছে।

সিঙ্গাপুরের মন্ত্রী এস ইসওয়ারান বলেন, উভয় দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গড়ে উঠছে, যা বাণিজ্য ও পর্যটন বৃদ্ধির জন্য সহায়ক হবে। তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘বাংলাদেশের দক্ষ জনবল সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন। সেখানে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন তাঁরা। প্রবাসী আয়ও আসছে দেশটি থেকে। হালাল সনদ নিয়ে বাংলাদেশও কাজ করছে। এতে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বাড়বে।’

সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাণিজ্য ব্যবধান বাংলাদেশের বিপক্ষে। সর্বশেষ ২০২০-২১ অর্থবছরে সিঙ্গাপুরে ১১ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। একই সময়ে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করেছে ২৪৬ কোটি ৮০ লাখ ডলারের পণ্য।

এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গঠিত ‘অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও ট্যারিফ যৌক্তিকীকরণ’ বিষয়ক একটি উপকমিটি কাজ করছে। এ উপকমিটির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক সুবিধা কিছুটা হারাবে।